কলকাতা : মন্ত্রিসভার কাজ ভাগ করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি ঘোষণা, ১ জুন থেকেই মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মাসিক তিন হাজার টাকা। ভোটের আগে সবচেয়ে চর্চিত প্রতিশ্রুতি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটাল নবান্ন।
দফতর বণ্টনেও আঞ্চলিক ভারসাম্যের ছাপ স্পষ্ট। মাথাভাঙার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক পেলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও ক্রীড়া-যুবকল্যাণ। দায়িত্ব পেয়েই তাঁর হুঁশিয়ারি, “কলকাতার একটা উড়ালপুলের টাকায় গোটা উত্তরবঙ্গ চলত। এই বৈষম্য আর নয়।” খড়গপুরের দিলীপ ঘোষের হাতে পঞ্চায়েত-গ্রামোন্নয়ন ও প্রাণী সম্পদ। আসানসোল দক্ষিণের অগ্নিমিত্রা পাল সামলাবেন পুর ও নারী-শিশু কল্যাণ।
রানিবাঁধের ক্ষুদিরাম টুডুকে দেওয়া হল অনগ্রসর শ্রেণি ও আদিবাসী উন্নয়ন। বনগাঁ উত্তরের অশোক কীর্তনিয়া হলেন খাদ্যমন্ত্রী।
প্রশাসনিক মহলের মতে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু ও উত্তরবঙ্গকে অগ্রাধিকার দিয়ে দুটি বার্তা দিলেন শুভেন্দু। এক, প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দেরি নয়। দুই, দক্ষিণ-উত্তর ভেদ ঘোচানোই নতুন সরকারের প্রথম রাজনীতি। কোচবিহারের এক গৃহবধূর কথায়, “টাকাটা ঢুকলেই বুঝব, কথার দাম আছে।”

