নয়াদিল্লি : অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে হাপসাতালে নিয়ে গেল পুলিশ। শনিবার সকালে, ২১ দিনের মাথায় দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে সরিয়ে দেয় পুলিশ। যন্তর মন্তর থেকে দিল্লি পুলিশ সোনম ওয়াংচুককে নিয়ে যায় সফদরজং হাসপাতালে। যন্তরমন্তর থেকে সরানো হয়েছে আন্দোলনকারীদেরও। অনশনরত সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছিল। গতকাল তাঁর অনশন কর্মসূচি ২০ তারিখ পর্যন্ত চালানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন সোনম। নিটের প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনশন শুরু করেছিলেন সোনম।
সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। নতুন দিল্লির ডিসিপি শচীন শর্মা জানিয়েছেন, “হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে এবং শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসকের পরামর্শের ভিত্তিতে, অত্যন্ত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য সোনম ওয়াংচুককে এখান থেকে একটি উপযুক্ত সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। আমরা যন্তর মন্তরের বিক্ষোভকারীদের অনুরোধ করছি যেন তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব শান্তিপূর্ণভাবে ওই স্থানটি খালি করে দেন।”
‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপকে বলেন, “সকাল ৭টা নাগাদ পুলিশি গুন্ডারা এসে হাজির হয়। তাঁরা সোনম স্যারকে গালিগালাজ করতে করতে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়। একজন ৬০ বছর বয়সী মানুষ, যিনি টানা ২০ দিন ধরে অনশন করছিলেন এবং কিছুই খাননি, তাকে দিল্লি পুলিশ জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়। তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনও ধারণা নেই। খবর পেয়ে আমি যখন বন্ধুর বাড়ি থেকে যন্তর মন্তরের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন পুলিশ আমার ওপরও হামলা চালায়।”

