সাহালের হ্যাটট্রিকে ৬-০ গোলে জয় মোহনবাগানের 

মোহনবাগান: ৬ (সাহাল হ্যাটট্রিক, মনবীর, জেমি, অভিষেক)
সিআইএসএফ: ০
নিজস্ব প্রতিবেদন: ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জয় পেল মোহনবাগান। নিয়মরক্ষার এই ম্যাচে ৬-০ গোলের বড় জয় ছিনিয়ে নিল কোচ পানোসের দল। সিআইএসএফের মতো ‘দুর্বল’ প্রতিপক্ষকে এর আগে ইস্টবেঙ্গলও ৮ গোল দিয়েছিল। মোহনবাগান হাফ ডজন গোল দিলেও অসংখ্য সুযোগ নষ্ট হয়েছে। লিস্টন কোলাসো প্রায় হ্যাটট্রিক করেই ফেলতেন। কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এদিন হ্যাটট্রিক করলেন সাহাল আবদুল সামাদ। মোহনবাগানে হতাশার কারণ হল মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোর পারফরম্যান্স।
সিআইএসএফের বিরুদ্ধে আক্রমণভাগে পরিবর্তন করেনি নামেনি। রিজার্ভে ছিলেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা ও জেমি ম্যাকলারেন। প্রথম ১৫ মিনিট মোহনবাগানের তেমন আক্রমণ না হলেও ১৭ মিনিটে গোল পেয়ে যায় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রতিপক্ষ রক্ষণের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন সাহাল আব্দুল সামাদ। পরের মিনিটেই আবার গোল। মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল পেয়ে ড্রাজিক বক্সের মধ্যে ঢুকে যান। সেখান থেকে সেকেন্ড বারে সাহালকে পাস দেন। ভুল করেননি বাগানের কেরালিয়ান মিডফিল্ডার। তৃতীয় গোল এসে ২৪ মিনিটে। বিপক্ষ ডিফেন্ডারকে কাঁধে নিয়ে দারুণ গোল করেন মনবীর সিং। তাঁর একটি পেনাল্টির আবেদনও নাকচ হয়। ৩৬ মিনিটে ৪-০ করেন সাহাল। বক্সের মধ্যে দু-তিনজনকে কাটিয়ে গোল করেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধেও একইভাবে আক্রমণের ঝড় তোলে মোহনবাগান। পরিবর্ত হিসেবে নেমেই গোল করলেন জেমি ম্যাকলারেন। এখনও পুরো ফিট নন। তাই ৯০ মিনিট খেলতে পারেননি। বক্সের বাঁপ্রান্তে বল ধরে নিখুঁত শটে গোল করলেন তিনি। ৭২ মিনিটে গোল করেন অভিষেক টেকচাম সিং। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচ তিনটি জয় পেয়ে ডুরান্ডের পরবর্তী রাউন্ডে গেল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। তবে বাগান জনতা মিগুয়েল ফিগুয়েরার নামার অপেক্ষায় থাকলেও তিনি নামেননি। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে খেলতে দেখা যাবে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

6 + nineteen =