১. শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান
-
১৯০৮ (ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসি): ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নির্ভীক বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু মুজফফরপুর জেলে মাত্র ১৮ বছর বয়সে হাসি মুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁর এই অমর আত্মবলিদান সমগ্র দেশে ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবের এক নতুন তরঙ্গ সৃষ্টি করেছিল।
২. দাদরা ও নগর হাভেলি ভারতে অন্তর্ভুক্তি
-
১৯৬১ (ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়া): ১৯৬১ সালের ১১ আগস্ট দীর্ঘ পর্তুগিজ শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর দাদরা ও নগর হাভেলি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ভারতের একটি অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
৩. গুজরাটের মোর্ছী বাঁধ বিপর্যয়
-
১৯৭৯ (মোর্ছী বাঁধ ধ্বংস): ১৯৭৯ সালের ১১ আগস্ট গুজরাটের মোর্ছী নদীতে অতিরিক্ত বৃষ্টির চাপে বাঁধ ভেঙে পড়ে এক ভয়াবহ প্লাবণের সৃষ্টি হয়। এর ফলে মোর্বি শহর প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারান। এটি ভারতের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক ও প্রযুক্তিগত দুর্যোগ।
৪. চাদের স্বাধীনতা লাভ
-
১৯৬০ (চাদ-এর স্বাধীনতা): ১৯৬০ সালের ১১ আগস্ট মধ্য আফ্রিকান দেশ চাদ (Chad) দীর্ঘদিনের ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৫. নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ভি. এস. নাইপলের প্রয়াণ
-
২০১৮ (ভি. এস. নাইপলের মৃত্যু): ২০১৮ সালের ১১ আগস্ট ভারতীয় বংশোদ্ভূত ট্রিনিডাদীয় নোবেলজয়ী প্রখ্যাত সাহিত্যিক স্যার ভি. এস. নাইপল (V. S. Naipaul) পরলোকগমন করেন। তিনি ২০০১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।
৬. কুখ্যাত ‘আলকাট্রাজ’ কারাগার চালু
-
১৯৩৪ (আলকাট্রাজ কারাগার): ১৯৩৪ সালের ১১ আগস্ট আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকো উপসাগরে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম সুরক্ষিত ও বিখ্যাত ‘আলকাট্রাজ ফেডারেল কারাগার’ (Alcatraz Federal Penitentiary) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয় এবং প্রথম বন্দীদের সেখানে আনা হয়।
৭. বিংশ শতাব্দীর শেষ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ
-
১৯৯৯ (মহাজাগতিক ঘটনা): ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট বিংশ শতাব্দীর শেষ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটেছিল। এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যটি ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে শুরু করে এশিয়ার বিভিন্ন অংশ জুড়ে দৃশ্যমান ছিল।
৮. শিল্পপতি ও দানবীর অ্যান্ড্রু কার্নেগির মৃত্যু
-
১৯১৯ (অ্যান্ড্রু কার্নেগির প্রয়াণ): ১৯১৯ সালের ১১ আগস্ট আধুনিক ইস্পাত শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ এবং বিশ্বখ্যাত আমেরিকান দানবীর অ্যান্ড্রু কার্নেগি (Andrew Carnegie) পরলোকগমন করেন। তিনি তাঁর বিপুল সম্পদের সিংহভাগ বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ও গণগ্রন্থাগার স্থাপনে দান করেছিলেন।

