কলকাতা : কেন্দ্রীয় বাজেট বাংলার মানুষের মনে আশার আলো সঞ্চার করেছে। শিল্পায়নের জোয়ার আনতে পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে এভাবে প্রশংসা করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী|
তিনি এদিন সমাজ মাধ্যমে জানান, “দেশের প্রথম উপকূল ভিত্তিক করিডোর – ইস্ট কোস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোর তৈরি হবে যা তামিলনাড়ু থেকে পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ার ফলে বন্দর, জাতীয় সড়ক, রেল ও শিল্প ক্লাস্টারকে একে অপরের সঙ্গে মসৃণ ভাবে জুড়বে। তৈরি হবে এক অনন্য শিল্প করিডোর, যা বাংলায় শিল্প স্থাপনের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করবে।
এছাড়া পণ্য পরিবহণের উদ্দেশ্যে ডানকুনি থেকে সুরাট – ডেডিকেটেজ ফ্রেট করিডর তৈরীর প্রস্তাব পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নের সম্ভাবনা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে। বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত হাই স্পিড রেল করিডর একই লক্ষ্যে করা হচ্ছে।
কেন্দ্র সরকার ইতিপূর্বেই বিগত এক বছরে ব্যক্তিগত করের কাঠামোতে বিশাল পরিবর্তন করে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত করে দিয়েছেন। GST-তেও বিশাল ছাড় দেওয়া হয়েছে, জিনিসপত্রের বাজার দর অনেকটাই কমেছে, কেনাকাটার সময় সাশ্রয়ের সুফল সাধারণ মানুষ সরাসরি আগে থেকেই পেয়ে আসছেন।
এই জনমুখী বাজেট সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কথা ভেবে তৈরি করা হয়েছে – কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, মহিলাদের ক্ষমতায়ন, যুব সমাজের কর্মসংস্থান, সবার উন্নয়নের পথ আরও প্রশস্ত হবে। রপ্তানি বাড়ানো, বিদেশি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এগুলোই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য। বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির শুল্ক যুদ্ধের মুখে ভারতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর করে তুলবে।
কিন্তু এই সব সুফল বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছাবে কি করে? যতদিন দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন কেন্দ্রের এই জনকল্যাণমূলক বাজেটের সত্যিকারের সুবিধা বাংলার মানুষ পাবে না।
তাই আজই সময় এসেছে, এই আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত রাজ্য সরকারকে বিসর্জন দিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা করার। কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে কাজ করলে তবেই বাংলার অর্থনীতি আবার চাঙ্গা হবে, শিল্প-কর্মসংস্থানে এগিয়ে যাবে।”

