তৃণমূলের পতাকা, ব্যানার খুলে ফেলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরামবাগে

আরামবাগ: ১ মার্চ আরামবাগে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি আরামবাগের কালীপুর মাঠে সভা করবেন। কিন্তু এই সভা করার ৪৮ ঘণ্টা আগে আরামবাগ শহরে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তৃণমূলের ব্যানার ফেস্টুন ও পতাকা খুলে ফেলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের নেতা কর্মীরা আরামবাগের পল্লিশ্রী মোড়ে জড়ো হতে থাকে।

অন্যদিকে বিজেপির যুব মোর্চার কর্মীরা তৃণমূলের পতাকা ব্যানার খুলে জড়ো করে দিয়ে চম্পট দেয়। এদিকে শাসক দলের কর্মীরা খবর পেয়ে শহরের পল্লিশ্রী মোড়ে জড়ো হতে থাকে। খবর পেয়ে আরামবাগ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি আসবে বলে শহরে লাগানো তৃণমূলের পতাকা খুলে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির কর্মী রাজনৈতিক অশান্তি করার জন্য এই নোংরামি করছে। এই জন্য আরামবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে দাবি করে তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরামবাগে আসবেন। তাই ওদের পতাকা ব্যানার স্বযত্নে খুলে এক জায়গায় জড়ো করে রাখা হয়। সৌজন্যের রাজনীতি করা হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয়নি।

আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী বলেন, বিজেপির ছেলেরা আমাদের তৃণমূলের ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। এই নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হচ্ছিল। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি। তৃণমূল অশান্তি চায় না। বিজেপি অশান্তি সৃষ্টির জন্য এই সব করছে। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি উপাশক দে বলেন, সব মিথ্যা কথা। ছিঁড়ে ফেলা আর স্ব-যত্নে খুলে রাখা। সেটা তফাৎ আছে। সেটা প্রশাসনের মাধ্যমে হচ্ছে। সবমিলিয়ে এই ঘটনায় এদিন আরামবাগে চাপা রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

one × 2 =