কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপনকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক জায়গায় রবীন্দ্র জয়ন্তী পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এই ইস্যুতে সরাসরি ভারতীয় জনতা পার্টিকেও নিশানা করেছে জোড়াফুল শিবির।
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, তিনটি ভিন্ন স্থানে অরাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপনের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই অনুমতি মেলেনি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটাক্ষ করে তৃণমূল জানিয়েছে, এটাই কি তবে ‘নতুন বাংলা’ এবং ‘পরিবর্তন’?
তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, “এভাবে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলার মানুষের হৃদয় থেকে আলাদা করা যাবে না।” প্রশাসনের এই বাধার প্রতিবাদে এবং কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে তৃণমূল কর্মীরা কালীঘাট এলাকায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, আজ ২৫শে বৈশাখ, কবিগুরুর জন্মজয়ন্তী। একই দিনে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই মেগা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সরকারি এই বড় অনুষ্ঠানের অজুহাতে রবীন্দ্র জয়ন্তীর মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যেখানে সম্ভব সেখানেই তারা রবীন্দ্র জয়ন্তীর কর্মসূচি পালন করবে। তাঁদের দাবি, বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে কোনও ভাবেই রোধ করা যাবে না।

