বিশ্বকাপের পর প্রথমবার শুরু থেকে মাঠে নেমেই নিজের পুরনো ছন্দে ফিরলেন লিওনেল মেসি। জোড়া গোল করে শুধু ইন্টার মায়ামিকে জয় এনে দিলেন না, একই সঙ্গে লিগস কাপের ইতিহাসেও নতুন রেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
২০২৬ সালের লিগস কাপের প্রথম ম্যাচে ঘরের মাঠে অ্যাটলেটিকো সান লুইসের বিরুদ্ধে ৪-২ গোলে জয় পায় ইন্টার মায়ামি। দলের জয়ে বড় ভূমিকা নেন মেসি। ম্যাচের ১১ ও ৪৪ মিনিটে গোল করে তিনি জানান, বিশ্বকাপের ধাক্কা কাটিয়ে আবারও সেরা ছন্দে ফিরেছেন। এই জোড়া গোলের মাধ্যমে লিগস কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন মেসি। প্রতিযোগিতায় তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৪। মাত্র ১২টি ম্যাচে এই নজির গড়েছেন তিনি। এর আগে এই রেকর্ড ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির ডেনিস বুয়াঙ্গার দখলে। মেসি তাঁকে পেছনে ফেলে এককভাবে শীর্ষে উঠে গেলেন।
লিগস কাপ মেসির কাছে বরাবরই বিশেষ। ২০২৩ সালে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পরই এই প্রতিযোগিতায় দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন তিনি। এবারও প্রথম ম্যাচ থেকেই তাঁর দাপট শুরু হয়ে গেল।
অ্যাটলেটিকো সান লুইসের বিরুদ্ধে মেসি ছাড়াও গোল করেন তেলাসকো সেগোভিয়া ও ডিফেন্ডার মিকায়েল। দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন নোয়া অ্যালেনও। তিনি তিনটি গোলের সুযোগ তৈরি করে নজর কাড়েন। এই জয়ের ফলে টানা ৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড ধরে রাখল ইন্টার মায়ামি।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দিয়ে পরপর দ্বিতীয়বার ফাইনালে তুলেছিলেন মেসি। যদিও ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বিশ্বকাপের পর ক্লাব ফুটবলে ফিরে প্রথমে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। এরপর প্রথমবার শুরুর একাদশে নেমেই করলেন জোড়া গোল। ইন্টার মায়ামির অন্তর্বর্তী কোচ গিয়ের্মো হোয়োস মেসি ও দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, কঠিন পরিবেশে লড়াই করে পাওয়া এই জয় দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বয়স বাড়লেও মেসির জাদু যে এখনও অটুট, লিগস কাপের প্রথম ম্যাচেই তার নতুন প্রমাণ মিলল।

