কলকাতা : এই মুহূর্তে আর মুখ্যমন্ত্রী পদে নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর সামাজিক মাধ্যমে নজর রাখলে দেখা যাচ্ছে, তাঁর পরিচয়েতে লেখা ‘মুখ্যমন্ত্রী’। অর্থাৎ রাজ্যপালের নির্দেশ সত্ত্বেও ‘চেয়ার’ ছাড়তে নারাজ তৃণমূল নেত্রী। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে।
জনতার রায়কে প্রাধান্য না দিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, চক্রান্ত হয়েছে, তিনি হারেননি। তাই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না। বাধ্য হয়েই মেয়াদ শেষ হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিধানসভা ভঙ্গের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল আর এন রবি।
প্রসঙ্গত, ৩৪ বছরের বাম সাম্রাজ্যকে উপড়ে রাজ্যের দায়িত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিয়েছিল আমজনতা। সেই রায় মাথা পেতে মেনে নিয়েছিলেন তৎকালীন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ফলাফল স্পষ্ট হতেই কোনও অভিযোগ ছাড়াই ইস্তফাপত্র নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন রাজ্যপালের কাছে। তারপর বেশ কিছুদিন একান্তযাপন করে আমজনতার সামনে দাঁড়িয়ে মেনে নিয়েছিলেন, ভুল ছিল তাই মানুষ তাঁদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ভোট বাক্সে। এরপর ২০২৬। ফের রাজ্যে পালাবদল।

