চোটের সমস্যায় জর্জরিত ভারতীয় ক্রিকেট দল। বর্তমান দলের সদস্য এবং ভবিষ্যতে জাতীয় দলে জায়গা পেতে পারেন, এমন ১৩ জন ক্রিকেটার এখন বেঙ্গালুরুর বিসিসিআইয়ের উৎকর্ষ কেন্দ্রে পুনর্বাসন নিচ্ছেন। শ্রীলঙ্কা সফরের মাঝেই শুভমন গিলের চোট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এর পাশাপাশি জসপ্রীত বুমরাহর প্রত্যাবর্তন নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে হার্দিক পান্ডিয়ার ক্ষেত্রে পাওয়া গিয়েছে কিছুটা স্বস্তির খবর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাঁ হাঁটুতে প্রদাহের সমস্যা নিয়ে উৎকর্ষ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন বুমরাহ। পুনর্বাসনের সময় দৌড়ানোর পাশাপাশি এক পায়ে করা অনুশীলনেও অস্বস্তি অনুভব করেন তিনি। ফলে তাঁর মাঠে ফেরার কোনও নির্দিষ্ট সময় এখনও জানানো হয়নি। বুমরাহ কবে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন, তা নিয়ে আপাতত কোনও চূড়ান্ত পরিকল্পনাও নেই।
হার্দিক পান্ডিয়ার ক্ষেত্রেও তৈরি হয়েছিল নতুন উদ্বেগ। বাঁ উরুর চোট থেকে সুস্থ হয়ে পুরো শক্তিতে বোলিং শুরু করার পর ডান পায়ের কাফে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরীক্ষা করিয়ে বড় কোনও ক্ষতির সন্ধান না মিললেও ঝুঁকি এড়াতে তাঁকে দৌড়ানো ও বোলিং বন্ধ রাখতে বলা হয়। চিকিৎসায় ভালো সাড়া দেওয়ার পর অবশ্য পান্ডিয়া আবার দৌড় শুরু করেছেন। এবার ধীরে ধীরে তাঁর বোলিংয়ের চাপও বাড়ানো হবে বলে জানা গিয়েছে।
এরই মধ্যে শুভমন গিলের ডান হাতের অনামিকায় চোট লাগে। বৃহস্পতিবার অনুশীলনের সময় আঘাত পাওয়ার পর শুক্রবার শ্রীলঙ্কা একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে মাঠে নামেননি তিনি। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দেন লোকেশ রাহুল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই গিলকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে এবং চিকিৎসক দল তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছে।
হর্ষিত রানা এবং নীতীশ কুমার রেড্ডির সঙ্গে বুমরাহও ইতিমধ্যেই শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ছিটকে গিয়েছেন। ওয়াশিংটন সুন্দর ও সাই সুদর্শনের ফিটনেস নিয়েও রয়েছে সংশয়। ফলে দলের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক ক্রিকেটারের চোট ভারতীয় শিবিরের পরিকল্পনায় বড় প্রভাব ফেলছে।
ভারত শ্রীলঙ্কায় খেলবে ২ টেস্টের সিরিজ। ১৫ অগস্ট গলেতে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। তার আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে থাকতেই হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে।

