বারাসাত স্টেডিয়ামে জমজমাট কলকাতা লিগের ডার্বি। দীর্ঘ ১০ বছর পর বারাসাতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে ফ্লাডলাইটে ম্যাচ আয়োজিত হচ্ছে। ভরপুর উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ উপভোগ করলেন গ্যালারিতে থাকা দুই দলের সমর্থকরা। প্রথমার্ধে মনবীর সিং -এর গোলে মোহনবাগান এগিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে অনবদ্য লড়াই ইস্টবেঙ্গলের তরুণ ব্রিগেডের। মহম্মদ বিলালের গোলে সমতায় ফেরে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচ ১-১ গোলের ব্যবধানে ড্র হয়। ম্যাচ শুরুর আগে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়, তমোঘ্ন ঘোষ,আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ইস্টবেঙ্গল এর মহম্মদ বিলাল।
ম্যাচের শুরুতেই ৭ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে মনোতোষ মাঝিকে ফাউল করেন আপুইয়া। ফ্রি-কিক পেয়ে বিজয় মূর্মূর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২১ মিনিটে বিক্রম প্রধান ফাউল করেন কিয়ান নাসিরিকে। সেই ফ্রি-কিক থেকে সাহালের শট লাল-হলুদ ডিফেন্ডার জয় বাজ হেডে দুর্দান্ত ভাবে রুখে দেন। ৩১ মিনিটে চাকু মান্ডির সঙ্গে রাজ বাসফোরের বল দখলের লড়াই। হলুদ কার্ড দেখলেন চাকু। ৩৫ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সের ভুল থেকে মনবীর সিং ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে গোলকিপার গৌরব শ বাঁচিয়ে দেন। ৩৮ মিনিটে মনবীর বক্সের ভিতর বাঁদিক থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করে সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে এগিয়ে দেন। গোল করে প্রাক্তন সতীর্থ দিমিত্রি পেত্রাতোসের ভঙ্গিতে সেলিব্রেট করলেন মনবীর। ৪৫ মিনিটে কিয়ানের কর্নার শুভাশিস বোসের হেডে চেষ্টা। বাঁচিয়ে দেন ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার গৌরব শ।
৫৪ মিনিটে আপুইয়ার সঙ্গে সংঘর্ষ মনোতোষ মাঝির। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন তিনি। ৫৬ মিনিটে বিলালের শট কিপার এগিয়ে আসে আকাশ হেমরামের শট সাইড নেটে লাগে। ৬২ মিনিটে চাকু মান্ডির লম্বা শট বাঁচিয়ে দেন দীপপ্রভাত। সেখান থেকে বিজ মূর্মুর শট ক্রসবারে লাগে। ৬৪ মিনিটে বিজয় মূর্মূর কর্নার থেকে বিলালের হেডে গোল ইস্টবেঙ্গলের। সমতায় ফিরল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৮৭ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আপুইয়া বল বাড়ালেন সাহালকে, সেখান থেকে মনবীর বল পেয়ে এগিয়ে যান। বক্সের ভিতর মনোতোষ চাকলাদার দুর্দান্ত ট্যাকল করে আক্রমণ রুখে দেন। ছেলেদের অনবদ্য লড়াইয়ে খুশি ইস্টবেঙ্গল কোচ অর্চিস্মান বিশ্বাস।

