আইএফএ শিল্ডে পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে হেরে গেল ইস্টবেঙ্গল। বুধবারের ম্যাচে ০-১ গোলে হারের ফলে গ্রুপশীর্ষে শেষ করার সুযোগ নষ্ট হল লাল-হলুদের। এর ফলে সেমিফাইনালে মোহনবাগানের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে সেমিফাইনালের সূচি এবং সময় এখনও সরকারি ভাবে জানায়নি আইএফএ।
ক্যালকাটা কাস্টমসকে হারিয়ে আগেই শেষ চার নিশ্চিত করেছিল ইস্টবেঙ্গল ও পাঞ্জাব। তাই এই ম্যাচের গুরুত্ব ছিল মূলত গ্রুপের প্রথম স্থান দখল করা। সেই লড়াইয়ে শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণে ওঠে। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম একাদশে ছিলেন ক্রিস ইকনোমিডিস এবং দিয়েগো জিভুলিচ।
ম্যাচের প্রথম দিকে লাল-হলুদই আক্রমণাত্মক ছিল। ইকনোমিডিসের ক্রস থেকে রোহিত দানুর হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় পাঞ্জাব। মাঝমাঠে বল ধরে রেখে ইস্টবেঙ্গলের উপর চাপ বাড়াতে থাকে তারা।
গোলের জন্য অবশ্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ডান প্রান্ত থেকে মেসি বৌলির বাড়ানো বল পেয়ে যান রাপোসো। সুযোগ নষ্ট না করে দূরপাল্লার জোরাল শটে বল জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। এগিয়ে যায় পঞ্জাব।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। রোহিত দানুর পরিবর্তে পিভি বিষ্ণুকে নামান কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ হাবাস। কিন্তু আক্রমণে ধার বাড়েনি। বরং পঞ্জাবই বেশ কয়েক বার ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করে। শেষদিকে নিখিল প্রভু লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের হয়ে যায় পাঞ্জাব। তবু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত সময়ের পরও সমতা ফেরানোর গোল এল না।
শেষ পর্যন্ত পাঞ্জাবের কাছে ০-১ হেরে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানেই থামতে হল ইস্টবেঙ্গলকে। এবার সেমিফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ফের কলকাতা ডার্বি দেখা যায় কি না, সেটাই দেখার।

