মোহনবাগান – ৮ (মনবীর-হ্যাটট্রিক, অ্যালবার্তো, রাহুল, সুহেল-২, নোয়েল – আত্মঘাতী)
সাউথ ইউনাইটেড – ০
নিজস্ব প্রতিবেদন: ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সাউথ ইউনাইটেডকে ৮-০ গোলে হারাল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। হ্যাটট্রিক করলেন মনবীর সিং, জোড়া গোল সুহেল ভাটের। বাকি গোলগুলি করেছেন আলবার্তো রড্রিগেজ ও রাহুল ভেকে এবং একটি আত্মঘাতী গোল হয়।
এই জয়ের ফলে গ্রুপে একনম্বরে মোহনবাগান। দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট সংগ্রহ কোচ পানোসের দলের। কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত মোহনবাগানের। কয়েকদিন আগে সিআইএসএফ প্রটেক্টরসকে আট গোলে উড়িয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল। এবার মোহনবাগানও পেল বড় জয়। আরও বড় ব্যবধানে জয় আসতে পারত। তবে তিনটি শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। একাধিক সিটার মিস করেন সাহাল আব্দুল সামাদ। হ্যাটট্রিকের সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি। ম্যাচের আগের দিন বাগান হেড স্যার পানোস জানিয়েছিলেন, আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবেন। সেই ভাবেই ফুটবল শুরু করে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রথমার্ধে চার গোল। বিরতির পর আরও চার। এদিন ডার্বির দলে তিনটে পরিবর্তন করেন বাগান কোচ। প্রথম একাদশে ফেরেন ড্রাজিচ এবং আলবার্তো। আপুইয়ার জায়গায় প্রথম একাদশে শুরু করেন দীপক টাংরি। গ্যালারিতে বসে খেলা দেখলেন জেমি ম্যাকলারেন। ম্যাচের ৪ মিনিটে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। অনিরুদ্ধ থাপার পাস থেকে গোল করেন মনবীর সিং। দ্বিতীয় গোল আসে ১০ মিনিটের মাথায়। থাপার কর্নার থেকে হেডে গোল করেন বাগানের স্প্যানিশ ডিফেন্ডার আলবার্তো রদ্রিগেজ। ম্যাচের ১৯ মিনিটে ৩-০। ড্রাজিচের ক্রস থেকে হেড করেন রাহুল ভেকে। ম্যাচের ২২ মিনিটে ৪-০। সাহালের পাস থেকে ডান পায়ের শটে গোল মনবীরের। এদিন হ্যাটট্রিক করতে পারতেন সাহাল। কিন্তু পাঁচটি সুযোগ একাই হাতছাড়া করেন। প্রথমার্ধে চারটে মিস করেন। ম্যাচের ২৯ মিনিটে হাওকিপের শট পোস্টে লাগে। ৩৭ মিনিটে আরও একটি সুযোগ বেঙ্গালুরুর দলের। দানিয়ালের শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান বিশাল কাইথ। ৬০ মিনিটে থাপার কর্নার থেকে নীচু হেডে গোল করে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন মনবীর। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে ষষ্ঠ গোল। নোয়েল এসের আত্মঘাতী গোলে ৬-০ এগিয়ে যায় মোহনবাগান। শেষদিকে মাঠে নেমে জোড়া গোল করলেন সুহেল আহমেদ ভাট। ম্যাচের ৯০ মিনিট এবং সংযুক্তি সময় দুটি গোল করেন তিনি। মঙ্গলবার রাতেই বাগানের আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে শহরে আসছেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা।

