কলকাতা : পিতৃপক্ষের সমাপ্তি ও দেবীপক্ষের সূচনার মধ্য দিয়ে শনিবার মহালয়া পালিত হলো রাজ্য জুড়ে। এই উপলক্ষে সকাল থেকেই কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলার নদীঘাটগুলিতে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ সারেন বহু মানুষ। কলকাতার বাবুঘাট, বাগবাজার, আহিরীটোলা ও প্রিন্সেপ ঘাট-সহ বিভিন্ন ঘাটে ভোর থেকেই ছিল মানুষের ভিড়।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘাটগুলিতে অতিরিক্ত পুলিশ ও রিভার ট্রাফিক পুলিশের কর্মী মোতায়েন রাখা হয়। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে গঙ্গায় টহল দেয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর স্পিডবোট। ঘাটগুলিতে নির্দিষ্ট দূরত্ব পর্যন্ত ব্যারিকেড দিয়ে স্নান ও তর্পণের ব্যবস্থা করা হয়।
অন্যদিকে, মহালয়ার দিন থেকেই কুমোরটুলিতে প্রতিমার চক্ষুদান ও মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা পাঠানোর তোড়জোড় লক্ষ্য করা যায়। উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার একাধিক পুজো কমিটির ব্যস্ততাও চোখে পড়েছে।
মহালয়ার শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
শুভ মহালয়া তথা দেবীপক্ষের সূচনায় রাজ্যবাসীকে আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মাতৃবন্দনার আবহে সমগ্র রাজ্যবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন তিনি। শনিবার সকালে সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, মা দুর্গার মর্ত্যে আগমনে প্রত্যেকের জীবন যেন মঙ্গল ও আনন্দে ভরে ওঠে। একই সঙ্গে তিনি বার্তা দেন, মায়ের আগমনে বাংলার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ঐক্য এবং পারস্পরিক সৌভাতৃত্বের মেলবন্ধন আরও মজবুত হোক। রাজ্যবাসীর সার্বিক কল্যাণ ও মঙ্গল প্রার্থনা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, পিতৃপক্ষের সমাপ্তি ও দেবীপক্ষের সূচনার মধ্য দিয়ে শনিবার মহালয়া পালিত হয় রাজ্য জুড়ে। এই উপলক্ষে সকাল থেকেই কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলার নদীঘাটগুলিতে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ সারেন বহু মানুষ। কলকাতার বাবুঘাট, বাগবাজার, আহিরীটোলা ও প্রিন্সেপ ঘাট-সহ বিভিন্ন ঘাটে ভোর থেকেই ছিল মানুষের ভিড়।

