নয়াদিল্লি/নাগপুর : ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার দিল্লির মন্দির মার্গ থানা থেকে তাঁদের বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের আইনজীবী অভিষেক হেলা পুলিশের অভিযোগ ও হেফাজতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
আইনজীবী অভিষেক হেলার দাবি, পুলিশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে তাঁরা ফের কোনও অপরাধ করতে পারেন। সেই যুক্তিতেই তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, পুলিশ আদালতে দাবি করেছে যে তাঁরা মানুষকে ঘটনাস্থলে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর মক্কেলরা এমন কোনও আহ্বান জানাননি। তাঁরা কোনও বন্ডের শর্তও ভাঙেননি বলে দাবি করেন তিনি। কনট প্লেসের একটি পৃথক অভিযোগ এই মামলায় ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ আইনজীবীর।
এদিকে, মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁদের সংগঠন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন করানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। তাঁর কথায়, সিজেপি একটি স্বাধীন চাপসৃষ্টিকারী সংগঠন হিসেবেই কাজ করবে।
দীপকে অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নির্বাচনে কারচুপি করছেন এবং নরেন্দ্র মোদীকে ক্ষমতায় থাকতে সাহায্য করছেন। এই অভিযোগের বিরুদ্ধেই তাঁরা আন্দোলন করছেন বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, সিজেপি স্বাধীন সংগঠন হলেও ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী নয়। তাঁদের আন্দোলন এবং ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলনের উদ্দেশ্য একই বলেও দাবি করেন তিনি।

