মমতার দুর্দিনে দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে মমতাকে বিঁধলেন সাংসদ বাবুলও

কলকাতা : রাজ্য রাজনীতির অন্দরে বিতর্কের ঝড়। এই আবহে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বাবুল সুপ্রিয়। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর পদক্ষেপ করেননি। সেই কারণেই দলের একাংশের নেতারা দুর্নীতি ও জনসাধারণের অর্থ তছরুপের সুযোগ পেয়েছিলেন। বুধবার রাতে নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়।

বাবুল লিখেছেন, “দিদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে যারা দুর্নীতি, সরকারি তহবিল তছরুপ বা সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের হাত-পা কেটে না ফেলে তিনি নিশ্চয়ই গুরুতর ভুল করেছেন। এখন তাদের অনেকেই সেই ‘৬০ জনের’ তালিকায় আছেন।”

তৃণমূল কংগ্রেস ভাঙনের রাতেই সমাজ মাধম্যে দীর্ঘ পোস্ট করে তিলি লেখেন, “নিজের দলের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে। আমিও তা করেছি। সেই অবস্থানকে সম্মান জানাতে হলে সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকেও সরে দাঁড়ানো উচিত। কারণ, আপনি দলের প্রতীক, নেতৃত্ব ও ব্যানারের অধীনে ভোটে লড়েছিলেন।”

একইসঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়ে বাবুল লিখেছেন, “দিদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে যারা দুর্নীতি, সরকারি তহবিল তছরুপ বা সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের হাত-পা কেটে না ফেলে তিনি নিশ্চয়ই গুরুতর ভুল করেছেন। এখন তাদের অনেকেই সেই ‘৬০ জনের’ তালিকায় আছেন। অন্যদের হয় ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে অথবা তারা জেলে যাচ্ছেন।”

তিনি আরও লেখেন, “কিন্তু একজন ব্যক্তি আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছেন! কখনও জানতাম না যে একটি সাপ মানুষের ছদ্মবেশে আমাদের সবার মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। আশা করছি ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি অনেক রাজ্যের মতো এদেরকেও নিজেদের দলে নেওয়ার মতো ভুল করবে না।”

যদিও একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই মতামত সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত এবং দলের অবস্থানের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

17 + 6 =