কলকাতা : তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করলো সিআইডি। বিধানসভায় সই জালের অভিযোগের তদন্তে আগামী সোমবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ভবানীভবনে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। আগামী সোমবার, ১ জুন দুপুর বারোটা নাগাদ অভিষেককে ভবানী ভবনে (পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সদর দফতর) ডেকে পাঠিয়েছে সিআইডি।
শনিবার দুপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকেরা। সেখানে অভিষেক ছিলেন না। তিনি কুণাল ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে বেলেঘাটায় ভোটপরবর্তী হিংসায় নিহত তৃণমূলকর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। পরে কালীঘাটের বাড়িতে ফিরে অভিষেক জানিয়ে দেন, তিনি শান্তিনিকেতনে থাকেন না। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে হলে সিআইডিকে কালীঘাটের বাড়িতে আসতে হবে। কিছু ক্ষণের মধ্যে সেখানেও পৌঁছে যায় সিআইডি। বাড়ির নীচে থাকা এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নোটিস অভিষেককেই দিতে চান সিআইডি অফিসারেরা। সে কথা অভিষেককে জানানো হয়েছে। তিনি অপেক্ষা করতে বলেছেন। কিছু ক্ষণ পরে অভিষেক নীচে নেমে আসেন। সিআইডি আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সূত্রের খবর, সোমবার ভবানীভবনে অভিষেককে তলব করেছে সিআইডি।
তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রসঙ্গে তৃণমূলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বলেন, “ওরা যা খুশি করুক। ওরা যা খুশি করতে পারে। ব্যাপারটা এভাবে বুঝুন, আগে শুধু ইডি, সিবিআই ছিল, আর এখন কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (কেএমসি) সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশও আছে। আগে ২-৩টি তদন্তকারী সংস্থা ছিল, আর এখন ৫টি। ওরা ভাবছে আমার পেছনে ৫-৬টি সংস্থা লেলিয়ে দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করে মাথানত করে দেবে। আমি সেরকম মানুষ নই। আমার গলা কাটলেও বা যা খুশি করলেও, আমাকে নত করতে হলে দশবার ভাবতে হবে এবং সাত জন্ম নিতে হবে। আমি দেশদ্রোহী নই।”

