নয়াদিল্লি : দেশজুড়ে সোমবার যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়েছে ৭৭-তম সাধারণতন্ত্র দিবস। মূল অনুষ্ঠানটি হয় দিল্লির কর্তব্যপথে। এবারের ভাবনা – বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ। ২১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ত্রিবর্ণ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কর্তব্যথের কুচকাওয়াজে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে ভারত। আকাশ থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পুষ্পবর্ষণ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের ট্যাবলো ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা উপস্থাপন করে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ক্ষুদিরাম বসু, বিনয়, বাদল, দীনেশ এবং মাতঙ্গিনী হাজরার অবদানের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক জাগরণ থেকে বিপ্লবী নেতৃত্বের দিকে যাত্রার সূচনা করে। পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ ট্যাবলো সগৌরবে অংশ নেয় কুচকাওয়াজে।
কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের সংস্কৃতি মন্ত্রকের ট্যাবলোতে জাতীয় স্তোত্র “বন্দে মাতরম – এর ওপর ভাবনা চিত্রিত করা হয়। বন্দে মাতরম শুধু একটি জাতীয় স্তোত্র নয়, এটি একটি শক্তিশালী অভিব্যক্তি যা একসময় বিপ্লবীদের ঠোঁটে প্রতিধ্বনিত হয়েছিল এবং প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে অনুরণিত হয়েছিল।

