কলকাতা : “সমগ্র বিশ্ব যখন ঢাকার শাসন পরিবর্তনের দিকে তাকিয়ে, তখন ভারতের পূর্ব সীমান্তে এক গুরুতর রাজনৈতিক সংহতি গড়ে উঠেছে।” রবিবার সামাজিক মাধ্যমে এ কথা লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশের ২০২৬ সালের নির্বাচনে সীমান্তবর্তী ৬৮টি আসনে জামাত এ ইসলামী জয়লাভ করেছে, যা সাতক্ষীরা থেকে রংপুর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকার বিপরীতে অবস্থিত।
শিলিগুড়ি করিডর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সংযোগের কৌশলগত জীবনরেখা। এই অঞ্চলজুড়ে কোনো আদর্শিক সংহতি তৈরি হলে তা অবশ্যই বাড়তি সতর্কতা এবং শক্তিশালী সীমান্ত পরিকাঠামোর দাবি রাখে।
তবুও ভারতীয় অংশে, তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণে বারবার পূর্ণ সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
এমনকি মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টও রাজ্য সরকারকে সীমান্ত বেড়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বিলম্ব হওয়া উচিত নয়।
পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রয়োজন :
*বিএসএফের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা।
*নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ করা।
*অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি।
*ভোটব্যাংক রাজনীতি নয়, নিরাপত্তা কেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা।
শুধুমাত্র বিজেপি সরকার, অর্থাৎ ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারই পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে পারে।
২০২৬ সালে অন্য কোনো ফলাফল এবং সীমান্তের ওপারে উগ্র রাজনৈতিক মতাদর্শের উত্থান অবৈধ অনুপ্রবেশকে ত্বরান্বিত করবে এবং তথাকথিত ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’-এর ধারণাকে শক্তিশালী করবে।”

