শিলাবতী নদী পেরোতে কাদার পথে গ্রামবাসীরা, স্থায়ী সেতুর অপেক্ষায় একাধিক গ্রামের মানুষজন

সুমন মণ্ডল,ঘাটাল : পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লকের ঘোষকিরা এলাকায় শিলাবতী নদীর ওপর স্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় বছরের পর বছর ধরে চরম দুর্ভোগের মধ্যে যাতায়াত করতে হচ্ছে একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের। ঘোষকিরা,শীর্ষা, কল্লা, খুড়শি, ধর্মপোতা-সহ আশপাশের গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম এই নদীপথ।

বর্ষাকালে নদীতে জল বাড়লে ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার করতে হয়। আবার প্রতিবছর বন্যার জলের তোড়ে ভেঙে যায় বাঁশের সাঁকো। বর্তমানে বন্যার পর বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে পড়ে রয়েছে। অন্যদিকে শিলাবতীর জল কমে যাওয়ায় নৌকাও চলছে না। ফলে নদীর বুকের কাদা মাড়িয়েই এক প্রকার বাধ্য হয়ে পারাপার করছেন সাধারণ মানুষ।শুধু নিত্যযাত্রী নয়, এই পথেই যাতায়াত করতে হয় স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অসুস্থ ও মুমূর্ষু রোগীদেরও। নদীর অপর প্রান্তেই রয়েছে চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতাল,স্কুল, হাটবাজার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় সমস্যায় পড়েছেন কয়েকটি গ্রামের মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েও মেলেনি স্থায়ী যোগাযোগের ব্যবস্থা। ভোট আসে, ভোট যায়, প্রতিশ্রুতিও মেলে কিন্তু সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে দাবি তাঁদের।বাম আমল পেরিয়ে তৃণমূলের দীর্ঘ শাসনকালও কেটে গিয়েছে। এবার স্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থার আশায় বর্তমান সরকারের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন ঘোষকিরা,শীর্ষা, কল্লা, খুরশি, ধর্মপোতা-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের একটাই প্রশ্ন কবে শেষ হবে শিলাবতী পেরোনোর এই দুর্ভোগ। এলাকাবাসী মৃত্যুঞ্জয় পাল জানান দীর্ঘদিন ধরেই চরম দুর্দশার মধ্যে আমাদের যাতায়াত করতে হয়। কৃষিজ ফসল বাড়িতে তুলতে বহু বাধা প্রতিকূলতার মধ্যে আসতে হয়। নদীতে ফসলসহ গাড়ি পালটিও হয়েছে অনেকবার আহত হয়েছে একাধিক কৃষক আমরা সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই স্থায়ী যোগাযোগের যাহাতে ব্যবস্থা হয়। স্কুল পড়ুয়া ঝর্ণা ঘোষ জানান খুব কষ্ট করে কাদা মেখে স্কুল টিউশন যেতে হয় আমাদের আমাদের আমাদের একটাই দাবি স্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

six + three =