ইস্টবেঙ্গল – ২ (রামিরেজ, আনোয়ার)
আল-হুসেইন – ২ (আল মার্দি, আসাফ)
নিজস্ব প্রতিবেদন : জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষমেশ ভাগ্য সাথ দিল না ইস্টবেঙ্গলের। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর শুরুতেই জর্ডনের মাটিতে মশাল জ্বালালো ইস্টবেঙ্গল এফসি। বুধবার আম্মান ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ডি-এর প্রথম ম্যাচে জর্ডান প্রো লিগ চ্যাম্পিয়ন আল হুসেইন এসসি-র বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করল হাবাস বাহিনী। ২-০ এগিয়ে থেকেও শেষমেশ জয় অধরা ইস্টবেঙ্গলের। মূল্যবান একটি পয়েন্ট ছিনিয়ে নিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। আক্ষেপ রয়েছে ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। তবে প্রিয় দলের এই লড়াইয়ে খুশি লাল-হলুদ সমর্থকরা। প্রথম ভারতীয় ক্লাব হিসেবে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এ পয়েন্ট পাওয়ার কীর্তি অর্জন করল ইস্টবেঙ্গল।
ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল পুরোপুরি ইস্টবেঙ্গলের দখলে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে তারা। ম্যাচের মাত্র ৯ মিনিটেই প্রথম গোল পেয়ে যায় কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব। এডমুন্ড লালরিনডিকার একটি শট আল হুসেইনের গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলাইলা ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন, আর সেই ফিরতি বল থেকে সহজেই বল জালে জড়িয়ে দেন দানি রামিরেজ। এরপর ৪০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আনোয়ার আলি। রামিরেজের ডানদিক থেকে নেওয়া কর্নার বিপক্ষ গোলরক্ষক ভুল জাজমেন্ট করলে আনোয়ারের কাঁধে লেগে বল সোজা জালে ঢুকে যায়। ২-০ গোলের স্বস্তিদায়ক লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আল হুসেইন, সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল অনেকটাই রক্ষণাত্মক হয়ে যায়। ৬১ মিনিটে খারৌবার পাস থেকে আল হুসেইনের হয়ে প্রথম গোলটি করেন অধিনায়ক মাহমুদ আল মার্দি। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিক দল। ম্যাচের একেবারে শেষলগ্নে, ৮৭ মিনিটে ওবাইদা আল নামারনার বাঁ-দিক থেকে ভাসানো নিখুঁত ক্রস থেকে গোল করে আল হুসেইনের হয়ে সমতা ফেরান আহমেদ আসাফ। শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলেই শেষ হয় এই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ। আগামী ১৩ অক্টোবর ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে লাল-হলুদের প্রতিপক্ষ ইরাকের আল শর্টা এসসি।

