কলকাতা : “কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ানোর জন্য পুরস্কৃত করা হলো তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা ফৈয়াজ আলমকে!” বৃহস্পতিবার এক্সবার্তায় একথা লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি লিখেছেন, “ভোটব্যাংক-এর তোষণ ও তুষ্টিকরণ এর রাজনীতি > বাঙালি অস্মিতা ও মনীষীদের শ্রদ্ধা সম্মান।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মালদা জেলার চাঁচল কলেজ ইউনিটের সদস্যরা তৎকালীন সভাপতি এ. বি. সোহেল এর নেতৃত্বে গত ২রা সেপ্টেম্বর একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত করে বিশ্ববন্দিত নোবেলজয়ী কবি, বাঙালির গর্ব কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে আগুন ধরিয়ে দেয়!
বিশ্ববরেণ্য কবি তথা বাংলা বাঙালি ও সারা ভারতবর্ষের গর্ব বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানাবার পন্থা একমাত্র তৃণমূল অপ-সংস্কৃতিতেই সম্ভব!
এবার এক ধাপ পেরিয়ে এই অপকর্মের জন্য বিশেষ পদপ্রাপ্তি ঘটলো তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা ফৈয়াজ আলম-এর।
সংযুক্ত ভিডিওতে হাসিমুখে রবি ঠাকুরের ছবি পোড়াচ্ছে ফৈয়াজ আলম। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নতুন ঘোষিত জেলা কমিটিতে ৬ নম্বরে এক্সিকিউটিভ মেম্বার করা হয়েছে তাকে।
বাঙালি অস্মিতা, বাংলার মনীষীদের’ সম্মানের জিগির তুলে প্রায়শই জনগণকে বোকা বানানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালায় তৃণমূল। কিন্তু আদপে এদের রাজনৈতিক মূলধন হলো ভোটব্যাংক তোষণ ও এক শ্রেনীর সমাজ বিরোধীদের তোষামোদ করে রাখা হলো এদের সবথেকে গুরুত্বপূর্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি।
যে ঘৃণ্য কাজের জন্য কোনো নিন্দা’ই যথেষ্ট নয়, সেই কাজের কান্ডারীদের পুরস্কৃত করা তৃণমূলের রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা।”

