রবিবার প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছিল কলকাতা, আর সোমবার দ্বিতীয় জয় তুলে নিল মুম্বই। অহমদাবাদের মাঠে গুজরাত টাইটান্সকে ৯৯ রানে উড়িয়ে দিল হার্দিক পাণ্ড্যের দল। টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত গুজরাতের জন্য একেবারেই ভুল প্রমাণিত হয়। প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই ৫ উইকেটে ১৯৯ রান তোলে। জবাবে গুজরাত গুটিয়ে যায় মাত্র ১০০ রানে।
মুম্বইয়ের জয়ের নায়ক তিলক বর্মা। এবারের প্রতিযোগিতায় এখনও পর্যন্ত ব্যাট হাতে তিনি ছন্দে ছিলেন না। আগের পাঁচ ইনিংসে করেছিলেন মাত্র ৪৩ রান। এ দিনও শুরুতে বেশ ধুঁকছিলেন। রান তুলতে সমস্যা হচ্ছিল, দর্শকদের কটাক্ষও শুনতে হয় তাঁকে। কিন্তু ১৪ ওভারের সময় কৌশলগত বিরতিতে অধিনায়ক হার্দিক তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। সেই মুহূর্তের পর যেন বদলে যান তিলক।
প্রথম ২২ বলে তিনি করেছিলেন মাত্র ১৯ রান। কিন্তু পরের ২৩ বলেই করেন ৮২ রান। শেষ দিকে গুজরাতের বোলারদের উপর একাই ঝড় তোলেন তিনি। অশোক শর্মার এক ওভারে তিনটি ছক্কা ও দুটি চার মারেন। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর শেষ দুই ওভার থেকেও আসে ৪১ রান। মাত্র ৪৫ বলে শতরান করে মুম্বইয়ের হয়ে দ্রুততম শতরানের রেকর্ডে যুগ্মভাবে নাম লেখান তিলক। হার্দিকের সঙ্গে তাঁর ৩৮ বলে ৮১ রানের জুটিও দলকে বড় রানে পৌঁছে দেয়।
২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় গুজরাত। প্রথম বলেই সাই সুদর্শনকে ফেরান বুমরাহ। এরপর হার্দিক ফেরান জস বাটলারকে। শুভমন গিল ও ওয়াশিংটন সুন্দর কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও তা বেশিক্ষণ টেকেনি। শুভমন আউট হতেই গুজরাতের আশা প্রায় শেষ হয়ে যায়।
এরপর মুম্বইয়ের স্পিনাররা ম্যাচ পুরো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। অশ্বনী কুমার দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। তিনি ফেরান শুভমন, রাহুল তেওতিয়া, শাহরুখ খান ও রশিদ খানকে। বুমরাহ ৩ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। এছাড়া আল্লা গজনফর ও মিচেল স্যান্টনার দুটি করে উইকেট নেন। ব্যাটে তিলক, বলে স্পিনারদের দাপটে বড় জয় পেল মুম্বই।

