এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২ -এর মঞ্চে ঘরের মাঠে যুবভারতীতে আধিপত্য বিস্তার করে জয় ইস্টবেঙ্গলের। আল-আরাবির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মশাল বাহিনীর। বৃষ্টিভেজা সল্টলেক স্টেডিয়ামে শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত লড়াই করল ইস্টবেঙ্গল। কুয়েতের আল আরাবির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের কাহিনী লিখল হাবাসের ইস্টবেঙ্গল, যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিল লাল-হলুদ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ ফলাফলে ম্যাচ শেষ হয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই ইস্টবেঙ্গল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। একাধিকবার গোলের সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হচ্ছিলেন এডমুন্ড লালরিনডিকারা। সেই সঙ্গে বিপিন ও জিকসনও সুযোগ নষ্ট করেন। কুয়েতের দলে বিদেশি ফুটবলারের সংখ্যাও ছিল বেশি। ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি নির্ভরতা কম। খাতায় কলমে খানিকটা পিছিয়ে শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু মাঠে নামার পর লাল-হলুদ ব্রিগেড প্রমাণ করল খাতায়-কলমে কে এগিয়ে রয়েছে সেটা বড় কথা নয়। মাঠের লড়াই আসল। ৭৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে আল আরাবিকে এগিয়ে দেন আনায়ো। ০-১ পিছিয়ে পড়ার পর ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। হাবাসের ইস্টবেঙ্গল ঘুরে দাঁড়াতে জানে। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। ৮৯ মিনিটে মহম্মদ রশিদের দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে বল জালে জড়িয়ে দিলেন জয় গুপ্তা। ৮৯ মিনিটে সমতা ফিরল। ০-১ থেকে মুহূর্তের মধ্যে ১-১। ১২০ মিনিটের দিকে গড়াল ম্যাচ। শেষ ১৫ মিনিটে ৩-০ গোলে ১-১ থেকে ২-১ করলেন রশিদ। আরও পিছিয়ে পড়ল আল-আরাবি। এরপর ডেভিড লালহানসাঙ্গা ও রোহিত দানু গোল করেন। দুর্দান্ত জয়ে এএফসির মূলপর্বে ইস্টবেঙ্গল।

