বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৮.৩৮ মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দরে নামে ব্রাজিলের চাটার্ড বিমান। ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মসূচি বিমানেই সেরে ফেলা হয়েছিল।
বাস অপেক্ষা করছিল বিমানবন্দরের ভিতরেই। ভিআইপি গেট দিয়ে বেরিয়ে সোজা বাইপাসের ধারে হোটেলের দিকে চলে যায় ব্রাজিলের টিম বাস। ভিনি জুনিয়রদের জন্য হলুদ এবং সবুজ রঙের মিশেলে বিশেষ টিম বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
শুক্রবার সকালে প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলন সারবেন ডন কার্লো। বিকেলে যুবভারতীতে অনুশীলন করার কথা রয়েছে ব্রাজিল দলের। উল্লেখ্য, নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে ব্রাজিল ফেডারেশনের তরফে আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই কলকাতায় রয়েছেন।
এদিন, হোটেলে ব্রাজিল ফুটবলারদের দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু সমর্থক। ডন কার্লো সহ ফুটবলাররা তাঁদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। ভিনি কয়েকজনের জার্সিতে অটোগ্রাফ দেন। এই প্রথমবার ভারতের মাটিতে খেলতে ব্রাজিলের জাতীয় দল।
ঐতিহাসিক এই ম্যাচে শনিবার খালিদ জামিলের ভারতের মুখোমুখি হবে সেলেকাওরা। এই ম্যাচকে দফায় দফায় সল্টলেক স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন পুলিশের শীর্ষ স্তরের আধিকারিকরা।
বৃহস্পতিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে সাংবাদিক বৈঠক করে বিধাননগর পুলিশের কমিশনার অমিত রাঠোর নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশিকা জারি করলেন। ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের জন্য একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।
কোনও রকম হয়রানি এড়াতে দর্শকদের বিকেল ৫টার মধ্যে স্টেডিয়ামে পৌঁছনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। নিরাপত্তার কারণে স্টেডিয়ামের ভিতরে আতশবাজি, স্মোক ক্যান্ডেল, লাইটার, সিগারেট বা অন্য কোনও দাহ্য পদার্থ নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
নিষিদ্ধ করা হয়েছে লেজার লাইটও। একইসঙ্গে জলভর্তি বোতল, যে কোনও ধরনের খাবার, ব্যানার বা পোস্টার নিয়েও স্টেডিয়ামে ঢোকার অনুমতি থাকবে না। জানানো হয়েছে, প্রত্যেক গ্যালারিতে খাবার এবং জলের ব্যবস্থা থাকবে।
পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও, কোনও ধরনের নিষিদ্ধ বস্তু বা ধারালো অস্ত্র, অ্যালকোহল কিংবা মাদকজাতীয় পদার্থ নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধি মেনে চলার জন্য দর্শকদের কাছে সহযোগিতার আবেদন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় থাকবে তিন স্তরের তল্লাশি। পাশাপাশি দর্শকদের ডিজিটাল টিকিটও তিন দফায় পরীক্ষা করা হবে।

