ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ডার্বি, মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল -মোহনবাগান। এই মরশুমে ডুরান্ড কাপ শুরু হয়েছিল কলকাতা ডার্বি দিয়ে। সেই ডার্বি সাহাল আব্দুল সামাদের গোলে জয় পেয়েছিল মোহনবাগান। ফাইনালের আগে অবশ্য পরিস্থিতি বদলেছে। মোহনবাগান কোচ পানাগিওটিস ডিলমপেরিস হতাশ। একেই শিলং থেকে বিমান বিভ্রাট নিয়ে ফিরে অনুশীলনের সময় পায়নি মোহনবাগান। মাত্র একদিনের অনুশীলনে ডার্বি খেলতে নামবে মোহনবাগান। অন্যদিকে ডুরান্ড কাপ ফাইনালের আগে অনুশীলনই করলেন না কোচ হাবস।
ডুরান্ড কমিটির সূচি নিয়ে বেশ হতাশ বাগান কোচ। প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে এসে পানোস বলেন, “ডুরান্ডের সূচী নিয়ে হতাশ। কোচ ও খেলোয়াড়দের জন্য খুবই সম্লস্যা। ছয় দিনে তিনটে ম্যাচ। গতকাল অনুশীলনের সময় পায়নি। আমি বিশ্বাস করি এই ম্যাচে মানসিকতাটাই জরুরি। কেমন ভাবে খেলতে হবে তার থেকেও জরুরি মানসিকভাবে শক্তিশালী হওয়া। গ্রুপ পর্বের ডার্বির সঙ্গে এই ম্যাচের কোনও মিল নেই।”
অন্যদিকে হাবাস অনুশীলন করালেন না ইস্টবেঙ্গলকে। কেবল হোটেলে জিম করবেন ফুটবলাররা। সাংবাদিক সম্মেলনে ফাইনালে ডার্বি নিয়ে হাবাস বলেন, “এই ম্যাচটা কলকাতায় এবং ভারতে খুব স্পেশ্যাল। তবে এটা বাকি ম্যাচগুলো মত ধরতে হবে আমাদের। বুদ্ধি করে, মানসিকভাবে এবং ৯০ মিনিটে সঠিক সুযোগ খুঁজে আমাদের খেলতে হবে।এখন আমরা অনেক ভালো দল। আমাদের দুটো ট্রেনিং সেশন পেয়েছি আমরা। রবিবারের ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যতই প্রাক মরশুম প্রতিযোগিতা হোক, ডুরান্ড জিতলে বাকি মরশুমের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়বে। বিশাল খুব ভালো গোলকিপার, ওকে আমি পুনে সিটি থেকে চিনি। গিলও খুব ভালো।মোহনবাগানের সবাই বিপজ্জনক। তবে মোহনবাগানও একই কথা ভাবছে আমাদের নিয়ে।”

