নয়াদিল্লি : ভারতের পরবর্তী চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) পদের দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এন এস রাজা সুব্রমণি। রবিবার সকালে সাউথ ব্লকের লনে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। দিল্লিতে জাতীয় যুদ্ধস্মারকে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনও করেন দেশের নতুন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ।
চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল এন এস রাজা সুব্রমণি বলেন, “চিন্তা ও কর্মের উদ্ভাবনই আমাদের সক্ষমতার উন্নয়নকে চালিত করবে। সামরিক বাহিনী, শিল্প, শিক্ষাঙ্গন, স্টার্টআপ এবং গবেষণা পরিমণ্ডলের মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতাই হবে আধুনিকীকরণের মূল চালিকাশক্তি। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে পেশাদারিত্ব এবং অভিযানগত দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে।
আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই যাত্রাপথে তাঁদের অনুকরণীয় নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য আমি আমার শ্রদ্ধেয় পূর্বসূরি প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং জেনারেল অনিল চৌহানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি ভারতের নাগরিকদের আশ্বাস দিচ্ছি, সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠা, সাহস, সম্মান এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশের সেবা করে যাবে।”
সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশের সেবা করে যাবে : এন এস রাজা সুব্রমণি
সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশের সেবা করে যাবে, দেশবাসীকে আশ্বাস দিলেন নতুন সাফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) এন এস রাজা সুব্রমণি। তিনি বলেন, “আমি ভারতের নাগরিকদের আশ্বাস দিচ্ছি, সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠা, সাহস, সম্মান এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশের সেবা করে যাবে।”
চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল এন এস রাজা সুব্রমণি বলেন, “চিন্তা ও কর্মের উদ্ভাবনই আমাদের সক্ষমতার উন্নয়নকে চালিত করবে। সামরিক বাহিনী, শিল্প, শিক্ষাঙ্গন, স্টার্টআপ এবং গবেষণা পরিমণ্ডলের মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতাই হবে আধুনিকীকরণের মূল চালিকাশক্তি। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে পেশাদারিত্ব এবং অভিযানগত দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে। আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, “চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। সশস্ত্র বাহিনীর ওপর রাখা আস্থার জন্য আমরা দেশের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা, অর্থাৎ ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, কৌশলগত প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং সকল অংশীদার, ভারতের নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সমগ্র জাতিভিত্তিক কর্মপন্থার অংশ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ‘জয়’— অর্থাৎ যৌথতা, আত্মনির্ভরতা এবং উদ্ভাবন— বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সশস্ত্র বাহিনীর রূপান্তর এবং যৌথতা, সমন্বয় ও একীকরণ বৃদ্ধির জন্য সাংগঠনিক সংস্কারই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আত্মনির্ভরতা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার একটি কেন্দ্রীয় স্তম্ভ। আমরা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে দেশীয় অস্ত্রের উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি এবং একীকরণকে ত্বরান্বিত করব।”

