নিজস্ব প্রতিবেদন: আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। বৃহস্পতিবার যুবভারতীতে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। ডুরান্ড কাপ ফাইনালের চার গোলের অভিশপ্ত রাত ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে চাইবে মোহনবাগান। এদিকে ডার্বির আগে খাতায় কলমে খানিকটা হলেও এগিয়ে থাকবে ইস্টবেঙ্গল। নতুন বিদেশি ফুটবলারদের ফর্মই তা বলে দিচ্ছে। গত ম্যাচেই গোল পেয়েছেন একে লোবা ও লুকাস।
চোট ও ঠাসা সূচির ধকল সামলানোর পাশাপাশি ডার্বির আবেগ ও সমর্থকদের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে ট্রফি জিততে মরিয়া বাগান কোচ পানোস। অন্যদিকে অ্যান্তোনিও লোপেজ হাবাস আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে ডার্বির থেকে বেশি এএফসি-কেই গুরুত্ব দিচ্ছেন।
শক্তিশালী ইস্টবেঙ্গল দলকে কতটা টেক্কা দিতে পারবে মোহনবাগান। গত ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেছেন ডেভিড লালহানসাঙ্গা। ডুরান্ডে হ্যাটট্রিক ছিল এডমুন্ডের। জবাবে বাগান কোচ পানোস বলেন, “ওদের ডেভিড ও এডমুন্ড থাকলে, আমাদেরও মনবীর, ছাংতে ও সাহাল রয়েছে। প্রতিপক্ষকেও আমাদের নিয়ে ভাবতে হবে।”
ম্যাচ শেষ করার পরিকল্পনা নিয়ে হাবাসের বক্তব্য, “নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচ জিততে চা৮; পেনাল্টি শুট-আউটে যাক কোনও কোচই চাইবেন না। এটিকে ডুরান্ড কাপের মতো আগের টুর্নামেন্টগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ও নতুন একটি লড়াই হিসেবে দেখছেন।” এদিকে মোহনবাগানের ভরসা বিশাল কাইথ, পেনাল্টিতে ম্যাচ গেলেই বাগান গোলরক্ষক বরাবরই ত্রাতা হয়েছেন মোহনজনতার। পানোস বলেন, “ডার্বিকে সম্মান, অহংকার এবং সমর্থকদের আবেগের লড়াই হিসেবে দেখছেন, যেখানে ট্রফি জেতাই শেষ কথা।” অন্যদিকে হাবাস ফুটবলারদের ক্লান্তি নিয়ে সতর্কন কেউ যাতে অতিরিক্ত সময় না খেলে তা নিয়ন্ত্রণ করতে চান। শুধু আনোয়ার ৯০ মিনিট খেলেছেন ভারতীয় দলে, সেই বুঝে প্রথম একাদশ সাজাবেন লাল-হলুদ কোচ।

