জামনগরে হু-গ্লোবাল সেন্টার ফর ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মোদি

গুজরাতে হু-গ্লোবাল সেন্টার ফর ট্রাডিশনাল মেডিসিনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। নিজের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত এই চিকিৎসা কেন্দ্রটিকে মানবতার সেবার কাজে ব্যবহার করবে। এটা একটা বড় দায়িত্ব। কেন্দ্রটি ঐতিহ্যগত ওষুধের মাধ্যমে বিশ্বের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ করবে। এটি স্বাধীনতার অমৃত মহৎসবের অংশ।’

প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, ৫ দশকেরও বেশি সময় আগে, বিশ্বের প্রথম আয়ুর্বেদ বিশ্ববিদ্যালয় জামনগরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এখানে আয়ুর্বেদের অন্যতম সেরা আয়ুর্বেদ ইনস্টিটিউট ইনস্টিটিউট অফ টিচিং অ্যান্ড রিসার্চ রয়েছে। এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই গ্লোবাল সেন্টার জামনগরকে বিশ্ব স্তরে সুস্থতার ক্ষেত্রে একটি নতুন উচ্চতা প্রদান করবে। মোদি বলেছেন, ভারত যখন আজাদি কা অমৃত মহোৎসব উদযাপন করছে, সেই সময় এই শিলান্যাস আগামী ২৫ বছরের জন্য বিশ্বজুড়ে চিরাচরিত ঔষধির যুগের সূচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চিরাচরিত ঔষধি কেন্দ্র হিসাবে ভারতের সাথে একটি নতুন অংশীদারিত্বে প্রবেশ করেছে। এটি ঐতিহ্যগত ওষুধের ক্ষেত্রে ভারতের অবদান এবং ভারতের সম্ভাবনা উভয়েরই স্বীকৃতি। ভারত এই অংশীদারিত্বকে সমগ্র মানবতার সেবা করার জন্য একটি বিশাল দায়িত্ব হিসেবে নিচ্ছে।

এদিন গুজরাতের মানুষের মন জয় করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus)। হু-গ্লোবাল সেন্টার ফর ট্রাডিশনাল মেডিশিনের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শুরুতে বললেন, ‘কেমছো.. মাজামা?’ (কেমন আছেন, ভাল তো?)।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী। সেই মঞ্চেই নিজের ভাষণের শুরুতে গুজরাতি ভাষায় স্থানীয় মানুষকে অভিবাদন জানান হু প্রধান। হু প্রধানের এমন সম্বোধনে করতালির জোয়ার ওঠে। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন উপস্থিত দর্শকেরা। এমনকী অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও করতালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।

হু প্রধান ঘেব্রিয়েসাসের মন্তব্য, ‘এটি সত্যিই একটি আন্তর্জাতিক প্রকল্প… এর অর্থ হল ভারত বিশ্বের কাছে পৌঁছবে, অপরপক্ষে সমগ্র বিশ্ব ভারতে আসবে।’ এই সেবা প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়ায় ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

twelve + thirteen =