কলকাতা : ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই মহাকরণ অভিযানে যুব কংগ্রেসের বিক্ষোভকারীদের উপর গুলিচালনার নির্দেশ দিয়ে বরাবর বিতর্কের মাঝে ছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেসব ভুলে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব সেই মণীশ গুপ্তকেই বিধায়ক ও মন্ত্রী পদে এনেছিলেন ‘অত্যাচারিত’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার মমতার দলের ভরাডুবির সময়ে সেই ২১ জুলাইয়ের ঠিক আগে তৃণমূল ত্যাগ করলেন ‘বিতর্কিত’ মণীশ গুপ্ত।
সংবাদমাধ্যমে এই খবর তিনি নিজেই জানিয়েছেন। এখনও পদত্যাগপত্র পাঠাননি, এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এই দলটায় আমার আর কিছু করার নেই। তাই অযথা সময় নষ্ট না করে ছেড়েই দিলাম। পরে অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেব।”
ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের হতশ্রী ফলাফলের পর দল কার্যত ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। ‘বিদ্রোহ’ করে তৃণমূল ছেড়ে অখ্যাত এনসিপিআই দলে ভিড়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ২০ জন সাংসদ। তারপরই কাকলি ঘোষ দস্তিদার ৩৩ বছর আগের যুব কংগ্রেসের বিক্ষোভে মণীশ গুপ্তর নির্দেশে চলা গুলিতে ১৩ জন শহিদের মৃত্যুর পর কেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত ছাড়া তৃণমূলে স্থান দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে তিনি চিঠি লিখে মণীশ গুপ্তর বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানান।

