ভারতের রানের জবাবে ডাকেটের দাপুটে শতরান, অশ্বিনের ৫০০ উইকেট

ভারতের সাড়ে চারশো রানের জবাবে প্রথম ইনিংসের শুরুটা দারুণ করল ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনের শেষে ২ উইকেট হারিয়ে স্টোকসদের রান ২০৭। এখনও ২৩৮ রানে পিছিয়ে। ১৩৩ রানে অপরাজিত বেন ডাকেট। দ্বিতীয় টেস্টে বাজবলেই ডুবতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। কিন্তু তার তোয়াক্কা না করে রাজকোটেও বাজবল ফিরিয়ে আনলেন বেন ডাকেট। পুরোপুরি একদিনের ক্রিকেটের মেজাজে ব্যাটিং। ৩৯ বলে অর্ধশতরানে পৌঁছে যান। একশো করতে নেন ৮৮ বল। কোনও বোলারকেই রেয়াত করেননি ইংল্যান্ডের ওপেনার। তাঁর ব্যাটে ভর করে দ্রুত রান তোলে থ্রি লায়ন্স। পুরো ইনিংসে প্রায় ১২০ র কাছাকাছি স্ট্রাইক রেট রাখেন ডাকেট। যা টেস্টে সচরাচর দেখা যায় না। প্রথম উইকেটে ৮৯ রান যোগ করার পর রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে ফিরে যান জাক ক্রলি।‌ ব্যক্তিগত ১৫ রানে রজত পাটিদারের হাতে ধরা পড়েন। টেস্টে ৫০০ উইকেট নেওয়ার নজির গড়েন অশ্বিন। অনিল কুম্বলের পর প্রথম ভারতীয় হিসেবে মাইলস্টোন ছুঁলেন। অলি পোপকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৯৩ রান যোগ করেন ডাকেট। শুরুটা ভাল করলেও ৩৯ রানে ফেরেন পোপ। তবে এদিন ইংল্যান্ডকে একাই টানেন ডাকেট। দিনের শেষে ১১৮ বলে ১৩৩ রানে অপরাজিত ইংল্যান্ডের ওপেনার। ইনিংসে রয়েছে ২টি ছয় এবং ২১টি চার। উইকেটের অন্য প্রান্তে ৯ রানে অপরাজিত জো রুট। ২৩৮ রানে পিছিয়ে ইংল্যান্ড। ফলো অন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

রোহিত শর্মা এবং রবীন্দ্র জাদেজার শতরানে প্রায় সাড়ে চারশোর কাছাকাছি পৌঁছে যায় ভারত। রাজকোটে প্রথম দিন ১৩১ রান করে আউট হন ভারতের নেতা। এদিন ১১২ রানে থামে জাদেজার ইনিংস। সরফরাজের ৬৬ বলে ৬২ রান আগের দিনই দলকে তিনশোর গণ্ডি পার করতে সাহায্য করে। প্রথম দিনের শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের রান ছিল ৩২৬। এদিন শেষ পাঁচ উইকেটে ১১৯ রান যোগ হয়। অষ্টম উইকেটে অশ্বিন এবং জুড়েলের ৭৭ রানের পার্টনারশিপ চারশোর গণ্ডি পেরোতে সাহায্য করে। অশ্বিন আজ বোলিং জীবনে ৫০০ উইকেট প্রাপ্ত করেন৷ অভিষেক টেস্টে মাত্র ৪ রানের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া হয় তরুণ উইকেটকিপার ব্যাটারের। ১০৪ বলে ৪৬ রানে আউট হন ধ্রুব। গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন অশ্বিন (৩৭) এবং বুমরা (২৬)। ৪৪৫ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস। চোট সারিয়ে ফিরেই ৪ উইকেট নেন মার্ক উড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × 4 =