নিজস্ব প্রতিবেদন: শনিবার যুবভারতীতে মহারণ। ডুরান্ড কাপ ডার্বি দিয়ে শুরু হচ্ছে মরশুম। মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। যদিও দুটি দলই এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। দুই কোচের মুখেই শোনা গেল প্রথম ম্যাচ ডার্বি নিয়ে আফসোসের কথা।
প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে এসে মোহনবাগান হেড কোচ পানাগিওটিস ডিলমপেরিস বলছেন, “ধন্যবাদ মোহনবাগান সমর্থকদের আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ডার্বি দিয়ে শুরু করাটা খুবই উত্তেজক। মোহনবাগানের মতো ঐতিহাসিক ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, উচ্চ পর্যায়ের প্রত্যাশা থাকা এগুলো উদ্বেগের নয় বরং অনুপ্রেরণার। কলকাতা আসার পর থেকে এই ম্যাচের জন্যই অপেক্ষা করেছিলাম। আমি আত্মবিশ্বাসী, আমি ইতিবাচক। আমাদের দল যে কাউকে হারাতে পারে।
তাঁর কাছ থেকে কীরকম ফুটবল দর্শন দেখা যেতে পারে? পানোসের উত্তর, “আধুনিক ফুটবল দর্শনেই চলব, আক্রমণাত্মক ফুটবল। তবে তিন দিনে তিনটে অনুশীলন সেশনে সেটা সম্ভব নয়। আমি জানি ডার্বি আবেগের শহরের কাছে, মোহনবাগান সমর্থকদের জন্য।
বাগানের নতুন সার্বিয়ান তারকা ডেজান ড্র্যাজিচের কথায়, “ভারতীয় হোক কি বিদেশি সব ফুটবলারদের কাছে ডার্বি স্পেশ্যাল হয়। আমরা মোহনবাগান, সবাই জেতা ছাড়া কিছু আশা করে না। সমর্থকরা মাঠে আসুন এবং সেলিব্রেট করুন।”
অন্যদিকে মোহনবাগান সুপারজায়ান্টকে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন করা কোচ হাবাস এবার প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গলের ডাগআউটে। তবে লাল-হলুদ হেড স্যার স্পষ্ট জানিয়ে রাখলেন মোহনবাগান এখন অতীত। তিনি বলেন, “অতীত নিয়ে ভাবছি। ডার্বির মতো বড় ম্যাচের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। আমি প্রতিপক্ষকে নিয়ে ভাবছি না। এত কম সময়ে অ্যানালাইসিস করা খুব কঠিন। অতীত নিয়ে ভাবছি না। মোহনবাগান সমর্থকদের নিয়ে খুশি ছিলাম। তবে ইস্টবেঙ্গল নিয়েও গর্বিত। দল খুব ভালো হয়েছে। আরও দু-তিন জন ভারতীয় আসলে স্কোয়াড টা সম্পূর্ণ হবে।”
অনুশীলনে কয়েকদিন ধরেই দলের দুই নতুন সদস্য দানিশ ফারুখ ও বরিস সিংকে নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছিল। মূল দলের সঙ্গে অনুশীলন না করে সাইডলাইনে ছিলেন দুজন। আপাতত দানিশ ও বরিসের ফিট হতে ১৫ দিন সময় লাগবে জানিয়ে দিলেন হাবাস।

