বোল্ডার ফেলে শুধু ভাঙন আটকানো সম্ভব: অর্জুন সিং

বেশ কয়েক বছর ধরেই গারুলিয়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাঙালি ঘাট এলাকায় গঙ্গার ভাঙনে জেরবার বাসিন্দারা। ইতিমধ্যেই অনেক ঘরবাড়ি গঙ্গার গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি ভাঙন রোধে সেচ দপ্তরের উদ্যোগে শালবোল্লি পুঁতে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সেই কাজে সেচ দপ্তর বরাদ্দ করেছে দেড় কোটি টাকা। কিন্তু শালবোল্লি পুঁততেই ফের বিপত্তি দেখা গিয়েছে। দু’দিন আগে আরও তিনটি বাড়ি গঙ্গার গ্রাসে চলে গিয়েছে। গঙ্গাপাড়ে যাদের ঘরবাড়ি এখনও টিকে রয়েছে, তারাও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সোমবার বেলায় ভাঙন বিধ্বস্ত গারুলিয়ার কাঙালি ঘাট চত্বর পরিদর্শন করেন ব্যারাকপুর কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং। সঙ্গে ছিলেন গারুলিয়া পুরসভার সিআইসি গৌতম বসু। কাঙালি ঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, ‘এখানে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। শালবোল্লি পুঁতে আগেও ভাঙন আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ভাঙন রোধ করা সম্ভব হয়নি।’ সাংসদের পরামর্শ, নেটের মধ্যে বোল্ডার রেখে গঙ্গাবক্ষে ফেললে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে। সেক্ষেত্রে যদি অর্থের প্রয়োজন লাগে, তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে সেই অর্থ তিনি দেবেন বলেও আশ্বাস দেন। সাংসদের কথায়, ‘আগে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পূর্বতন পুরবোর্ড বানিয়ে দিয়েছিল। এবার ভাঙনের জেরে ধসে যাওয়া ঘরবাড়ি বানিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি পুরপ্রধানকে বলবেন। কাঙালি ঘাটের ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনের পর সাংসদ পুরসভায় গিয়ে পুরপ্রধান রমেন দাসের সঙ্গে কথা বলেন।’ সাংসদের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন নিয়ে পুরপ্রধান রমেন দাস জানান, শালবোল্লি দিয়ে ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। ভাঙন পরিদর্শন করে সাংসদ পরামর্শ দিয়েছেন একমাত্র বোল্ডার ফেলেই ভাঙন আটকানো সম্ভব। এক্ষেত্রে তিনি সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা বলবেন। পাশাপাশি তিনি পুরসভার অধিকারিক ও অন্যান্য কাউন্সিলারদের সঙ্গেও আলোচনা করবেন। আলোচনা করার পর তারা ভাঙন রোধের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *