পোপের শতরানে ধাক্কা সামলে ম্যাচে ফিরল ইংল্যান্ড, এগিয়ে ১২৬ রানে

রবীন্দ্র জাদেজার হাত ধরে ইনিংস জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ভারত। কিন্তু প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষে উলট-পুরাণ। ম্যাচটা একাই ঘুরিয়ে দিলেন অলি পোপ। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৬ রানে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ১৪৮ রানে অপরাজিত পোপ। দিনের শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে স্টোকসদের রান ৩১৬। অথচ চায়ের বিরতির আগেই ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তখনও ১৮ রানে পিছিয়ে। শেষ সেশনে আক্রমণের পথে হাঁটলেন ইংল্যান্ডের সহ অধিনায়ক। তৃতীয় সেশনে হায়দরাবাদের পিচ আরও মন্থর ছিল। বল ঘুরলেও গতি ছিল না। তাই খেলতে কোনও সমস্যা হায়নি ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের। প্রথম ইনিংসের শেষে ১৯০ রানে এগিয়ে ছিল ভারত। তবে যেভাবে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিলেন জাদেজারা, আরও বেশি রানের লিড হওয়া উচিত ছিল।
প্রথম ইনিংসে ২৪৬ রানে অল আউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে ১৭৫ রানে এগিয়ে ছিল ভারত। ক্রিজে ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন জাদেজা। ভারত এদিন আরও ৫০-৭৫ রান যোগ করতে পারলে চাপে পড়ে যেত ইংল্যান্ড। কিন্তু মাত্র ১৫ রানে শেষ ৩ উইকেট হারায়। এদিন মাত্র ৬ রান যোগ করেন জাদেজা। যশস্বী জয়েসওয়াল এবং কেএল রাহুলের মতো শতরান হাতছাড়া জাদেজারও। ১৮০ বলে ৮৭ রানে আউট হন। দলের ৪৩৬ রানে ফেরেন জাড্ডু। তারপর একটাও রান যোগ হয়নি। ৪৩৬ রানে অলআউট ভারত। ৪ উইকেট নেন জো রুট।
পাল্টা ব্যাট করতে নেমে বাজবল স্টাইলে শুরু করেন জাক ক্রলে (৩১) এবং বেন ডাকেট (৪৭)। ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ১৬৩ রানে ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ব্যর্থ জো রুট (২), জনি বেয়ারস্টো (১০), বেন স্টোকস (৬)। কিন্তু উইকেটের এক প্রান্তে মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন পোপ। খুব যে রক্ষণাত্মক ইনিংস খেলেছেন, তাও না। ১৭টি চার মারেন। একদিকে উইকেট পড়লেও স্বমহিমায় ছিলেন। টেস্টে অন্যতম সেরা ইনিংস পোপের। শেষদিকে তাঁকে কিছুটা সঙ্গত দেন বেন ফোকস (৩৪)। ষষ্ঠ উইকেটে ১১২ রান যোগ করে এই জুটি। এটাই টার্নিং পয়েন্ট। তৃতীয় দিনের শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ডের রান ৩১৬। চতুর্থ দিনের শুরুতে দ্রুত ফেরাতে হবে পোপকে। ১৭৫ রানের মধ্যে বেঁধে রাখতে হবে ইংল্যান্ডকে। নয়তো সমস্যায় পড়বে ভারত। রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামের উইকেটে চতুর্থ দিন বড় রান তাড়া করে জেতা খুব সহজ হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nineteen − eleven =