নয়াদিল্লি : হাইড্রোজেন ট্রেনের পর এবার দেশের প্রথম এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ভিত্তিক ট্রেন রবিবার যাত্রা শুরু করবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ গুজরাটের সবরমতীতে এটির সূচনা করবেন। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সবরমতীতে ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন রেল প্রকল্পের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং উৎসর্গ করবেন। এর মধ্যে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডাব্লিউএজি-১২ ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণ শেডের উদ্বোধন করবেন।
রেল সূত্রে জানা গেছে, এই ব্যবস্থা (এলএনজি) গ্রহণের ফলে ডিজেলের ব্যবহার প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানি খরচ কমার পাশাপাশি কার্বন ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং পার্টিকুলেট ম্যাটারের নির্গমনও হ্রাস পাবে। সবরমতী ইন্টিগ্রেটেড কোচিং ডিপোর দুটি ১,৪০০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ড্রাইভিং পাওয়ার কারকে এলএনজি-ডিজেল দ্বৈত জ্বালানি (ডুয়াল-ফুয়েল) ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। আটটি কোচবিশিষ্ট ট্রেন পরিচালনায় এগুলি ব্যবহার করা হবে।
প্রতিটি ইঞ্জিন থেকে বছরে প্রায় ১১.৯ লক্ষ টাকা সাশ্রয় হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। দুটি ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে এই বার্ষিক সাশ্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২৩.৯ লক্ষ টাকা। এই ব্যবস্থাটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে চিরাচরিত ডিজেল ইঞ্জিনের ক্ষমতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং পরিচালন দক্ষতা বজায় থাকে।
ইঞ্জিনটি এলএনজি এবং ডিজেল উভয়ের মাধ্যমেই চলতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দুটি জ্বালানির মধ্যে পরিবর্তন করতে পারে। কোনও স্থানে এলএনজি পাওয়া না গেলে ট্রেনটি ডিজেলে চালানো সম্ভব হবে। এর ফলে জ্বালানির অপ্রতুলতাজনিত কারণে দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা কমবে।

