প্রতিপক্ষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল হওয়ায় ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে খেলা শুরুর বাঁশি বাজার আগে ব্রাজিল আসলে প্রত্যাশার চাপের সাগরেই হাবুডুবু খেয়েছে। কিন্তু সঙ্গে যদি থাকেন ‘হ্যাং টেন’ জানা কোনো ‘সার্ফার’, তাহলে আর চিন্তা কী! বিশ্বকাপ নামে এই প্রত্যাশার চাপের সাগরের ঢেউ ব্রাজিলের জন্য যতটা খাঁড়া, মাতেউস কুনিয়ার পায়ের কাজও যেন ততটাই নমনীয়।
ফুটবলের পাশাপাশি কুনিয়ার সার্ফিংও যে ভালোই জানা, সেটা বোঝা গেল ম্যাচের ৩৬ মিনিটের মধ্যে তাঁর জোড়া গোলের উদ্যাপনে। দুবারই ‘হ্যাং টেন’ উদ্যাপনে কুনিয়া বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপের অথৈ সাগরে ব্রাজিলকে এখন থেকে আর হাবুডুবু খেতে হবে না। তাঁর ৯ নম্বর জার্সির ‘সার্ফিং বোর্ডেই’ এখন থেকে গোল খুঁজে পাবে ব্রাজিল।
তবে ম্যাচটি দেখা থাকলে স্কোরবোর্ড দেখে ব্রাজিলের সমর্থকদের আক্ষেপ হতে পারে। হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিল জিতেছে ৩–০ গোলে। অফসাইডে গোল বাতিল হয় দুটি। ১২ মিনিটে রাফিনিয়ার গোল এবং বদলি নামা এনদ্রিকের গোল বাতিল হয় ৭৮ মিনিটে। পাশাপাশি আরও অন্তত তিনটি গোলের সুযোগ নষ্ট করে আনচেলত্তির দল। সব কটি গোলই এসেছে প্রথমার্ধে। একটু খটকা তাই থেকেই যায়, বিরতির পর ঠিক কী হয়েছিল আনচেলত্তির আক্রমণভাগের!
তবে ব্রাজিলের এই জয়ে বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষ দলগুলো কিন্তু একটা বার্তাও পেয়ে গেল। সেটা হলো, আনচেলত্তির আক্রমণভাগ জেগে উঠলে ভয় পেতেই হবে সবাইকে!

