অশোক সেনগুপ্ত
তিন ‘ভূত’-এর সম্পর্কে রিপোর্ট চেয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলা নির্বাচন অফিসারকে চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন।
ব্লক/ গ্রাম পঞ্চায়েৎ ও বুথ নম্বরের বিশদ উল্লেখ করে মেটিয়াবুরুজ বিধানসভা কেন্দ্রের মনিরুল মোল্লা ও মায়া দাস এবং কাকদ্বীপ বিধানসভা কেন্দ্রের হরেকৃষ্ণ গিরি সম্পর্কে শুক্রবার ওই রিপোর্ট চেয়েছেন অতিরিক্ত নির্বাচন কমিশনার।
বারুইপুরের একটি রাজনৈতিক সভায় ওই তিন ভূত ‘ব়্যাম্প ওয়াক’ করেছে। ওঁদের নাম তোলা হয়েছে মৃতদের তালিকায়। ওঁদের মৃত ঘোষণা করে তালিকায় কারা নাম তুলেছিলেন, তা খতিয়ে দেগে সংশ্লিষ্ট অফিসারদের নাম ২৪ ঘন্টার মধ্যে জানানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
শুক্রবার বারুইপুরে অভিষেকের সভায় ব়্যাম্প কেন তৈরি করা হল, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল। সভায় বক্তৃতা করতে গিয়ে নিজেই কারণ জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু কারণ জানালেনই নয়, দেখালেনও। ব়্যাম্পে ‘ভূত’ দেখালেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’! ‘ভূত’ অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনের খাতায় যাঁরা মৃত!
অভিষেকের অভিযোগ, এই তিন জনকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় মৃত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন! ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বলেন, “এই যে তিন জনকে দেখছেন, তাঁদের এই দু’জন (সভামঞ্চে হাজির হওয়া দুই পুরুষকে দেখিয়ে) মেটিয়াবুরুজের বাসিন্দা। আর ইনি (মহিলাকে দেখিয়ে) কাকদ্বীপের। নির্বাচন কমিশন এঁদের মৃত ঘোষণা করেছে। শুধু এঁরাই নয়, এঁদের মতো আরও ২৪ জন রয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, যাঁদের মৃত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।”

