কলকাতা : বনগাঁর অনুষ্ঠান আয়োজক তনয় শাস্ত্রী শনিবার অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে তিনি অভিনেত্রীকে ২০ লক্ষ টাকার মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এই ঘটনায় মিমি ও আয়োজকের আইনি লড়াই এক নতুন মোড় নিল। গত মাসে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিনেত্রীর অভিযোগ ছিল, মাঝরাতে অনুষ্ঠানের অনুমতি না থাকার কারণ দেখিয়ে আয়োজক তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেন এবং তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়। মিমির দায়ের করা সেই হেনস্থার অভিযোগের ভিত্তিতে তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হয়েছিল এবং তাঁকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে থাকতে হয়েছিল। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এবার পাল্টা আক্রমণে গিয়ে তনয় শাস্ত্রী দাবি করেছেন, অভিনেত্রীর “মিথ্যা” অভিযোগের কারণে তাঁর সামাজিক সম্মানহানি হয়েছে। বনগাঁ থানায় দায়ের করা অভিযোগে তিনি মিমির কাছ থেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা এবং অনুষ্ঠান বাবদ দেওয়া ২.৬৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “মিমি চক্রবর্তী অনুষ্ঠানের জন্য ২.৬৫ লক্ষ টাকা নিয়েও নির্দিষ্ট সময়ে মঞ্চে আসেননি। তাঁর মিথ্যা মামলার কারণে আমাকে ১৪ দিন জেল খাটতে হয়েছে। আমি পুলিশ সুপারের দফতরেও লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছি।”
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই তনয় শাস্ত্রী ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে অভিনেত্রীকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, দুই-তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে বা ক্ষতিপূরণ না দিলে তিনি মানহানির মামলা করবেন। অন্যদিকে, আয়োজকের এই পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

