স্পেন: ০ কেপ ভার্দে: ০
নিজস্ব প্রতিবেদন: সোমবার বিশ্বকাপের মঞ্চে বড়সড় অঘটন ঘটল। স্পেনকে আটকে দিল কেপ ভার্দে। অবিশ্বাস্য লড়াইয়ে ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্য ড্রয়ে। এবারের বিশ্বকাপে খেতাব জয়ের দৌড়ে অন্যতম দাবিদার স্পেন। কোচ লুই দে লা ফুয়েন্তের ফুটবলাররা দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। তবুও প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে যেন ছন্নছাড়া ফুটবল খেলল ২০১০ সালের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন। ইউরো চ্যাম্পিয়নকে আটকে দিল কেপ ভার্দের মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল।
ম্যাচের ৭০ মিনিটে লামিনে ইয়ামাল এবং মিকেল ওয়ারজাবালকে নামিয়েও জয় অধরা থেকে গেল স্পেনের। কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহার কাছে আটকে গেলেন পেদ্রি, রদ্রিরা। তারকাখচিত স্পেন দলকে যেন বন্দী করে রাখলেন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৬৭ নম্বরে থাকা এই দেশ। আটলান্টা স্টেডিয়াম যা দেখল, তা রূপকথা নয় বাস্তবই বটে। এদিন স্পেন গোটা ম্যাচে মাঝমাঠের দখল নিয়ে খেললেও ফাইনাল থার্ডে গিয়ে সমস্যায় পড়ে। চোট পেয়েছিলেন স্পেনের দুই তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামস। এই দুজনকে ছাড়াই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। আক্রমণভাগে খেলেন গাভি, ফেরান তোরেস ও মিকেল ওয়ারজাবাল। গাভি ও তোরেস একেবারেই উইংয়ে খেলতে অভ্যস্ত নন। ফলে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেও গোলের মুখ খোলেনি স্পেনের। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে স্পেনের সাইডব্যাক মার্ক কুকুরেয়া বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন হেডের জন্য। প্রথম সুযোগেই নিখুঁত হেড করেন তোরেস। যা অবিশ্বাস্য ভাবে আটকে দিলেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনহা। যিনি এই বয়সে প্রথম বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে নামলেন। এরপর ফিরতি বলে আবারও বাঁচালেন ওয়ারজাবালের হেড। ৪৪ মিনিটে তোরেসের শট আবারও বাঁচিয়ে দেন ভোজিনহা। স্পেনের ডিফেন্ডার লাপোর্তের হেড, কখনও বা ওয়ারজাবালের শট, সব আটক হয়েছে তাঁর হাতে। ৭০ মিনিটে ইয়ামালকে নামালেও বিশেষ লাভ হয়নি স্পেনের। তাঁর পিছনে তিনজন ডিফেন্ডারকে রেখে দিলেন কেপ ভার্দের কোচ বুবিস্তা ৭২ মিনিটে ফের মার্কাস লরেন্তের শট আটকে দেন ভোজিনহা। অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সে তিনিই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন।

