কলকাতা : আলিপুরের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অফিসে আগুনের ঘটনায় নতুন মোড়। ঘটনার নেপথ্যে কি শুধুই প্রযুক্তিগত ত্রুটি, নাকি এর পিছনে কাজ করছে অন্য কোনও উদ্দেশ্য, প্রশ্ন উঠতেই আলিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক (এডিএম)। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।
প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও আগুন পুরোপুরি যে নিয়ন্ত্রণে এসেছে, এমনটা জানায়নি দমকল। আগুনের শিখা দেখা না গেলেও চোরাগোপ্তা আগুনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকালেও ওই অফিস চত্বরে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন আসে। দমকল কর্মীরা চারিদিক পরিদর্শন করেন।
ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের। আগুনের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও নমুনা সংগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শর্ট সার্কিট বা বৈদ্যুতিক ত্রুটির সম্ভাবনা প্রাথমিকভাবে খতিয়ে দেখা হলেও, এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট কারণ ধরতে পারেননি তাঁরা। ফলে সব সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিন সকালে আলিপুরের ওই অফিসে উপস্থিত হন দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। দেখার পর তিনি বলেন, ‘চারতলা থেকে কীভাবে আগুন উপরের তলায় গেল সেটা আশ্চর্যের। ৯ ও ১০ তলায় আগুন কীভাবে গেল? পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ওপরের তলায় যেখানে ইভিএম ছিল। সব পুড়ে গেছে। স্বাভাবিক আগুন মনে হচ্ছে না। অন্তর্ঘাত কি না দেখা হচ্ছে। কী করে আগুন ৯-১০ তলায় উঠে গেল তা স্পষ্ট নয়।’

