মঙ্গলা এক্সপ্রেসে কেরলমগামী ২০ পড়ুয়ার অসুস্থতা, খাণ্ডওয়া স্টেশনে চিকিৎসা

ভোপাল : দিল্লি থেকে কেরলম যাওয়ার পথে মঙ্গলা লক্ষদ্বীপ এক্সপ্রেসে শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জন স্কুলপড়ুয়ার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। খাণ্ডওয়া স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে তাঁদের চিকিৎসা করা হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, খাবারে বিষক্রিয়ার কারণে এই সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।

শনিবার জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে ইটারসি স্টেশনের পর ট্রেনের প্যান্ট্রি কার থেকে খাবার নিয়ে খেয়েছিল পড়ুয়ারা। কিছুক্ষণ পর একে একে তাঁদের বমি, বমি বমি ভাব এবং অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। বিষয়টি রেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে খাণ্ডওয়া স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

খাণ্ডওয়া জেলা হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. অনিরুদ্ধ কৌশল, সিএসপি অভিনব বারঙ্গে, সিটি ম্যাজিস্ট্রেট বজরং বাহাদুর-সহ রেল ও প্রশাসনের আধিকারিকরা স্টেশনে পৌঁছন। চিকিৎসকদের একটি দল ট্রেনের ভিতরেই পড়ুয়াদের পরীক্ষা করে প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেয়।

খাণ্ডওয়ার স্টেশন মাস্টার জিএল মীণা জানান, রাত প্রায় ৯টা ৫ মিনিটে মঙ্গলা লক্ষদ্বীপ এক্সপ্রেস খাণ্ডওয়া স্টেশনে পৌঁছয়। পড়ুয়াদের অসুস্থতার খবর আগেই পাওয়ায় স্টেশনে চিকিৎসকদের দল প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ পড়ুয়াদের পরীক্ষা শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিট ট্রেনটি স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল। রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি ভুসাবলের উদ্দেশে রওনা হয়।

জানা গিয়েছে, অসুস্থ পড়ুয়ারা সকলেই কেরলমের বাসিন্দা এবং একটি খ্রিস্টান স্কুলের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের বয়স প্রায় ১৫ থেকে ১৮ বছর। স্কুলের কর্মীদের সঙ্গে শিক্ষামূলক সফরে দিল্লি গিয়েছিল তারা। সফর শেষ করে ট্রেনে কেরলে ফিরছিল পড়ুয়ারা।

স্টেশন মাস্টার জানান, ইটারসির পর প্যান্ট্রি কার থেকে খাবার নেওয়ার পরই একে একে পড়ুয়ারা অসুস্থ বোধ করতে শুরু করে। এরপর ট্রেনের কর্মীরা রেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। খাণ্ডওয়া স্টেশনে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রেলের চিকিৎসক ও কর্মীদের একটি দলও পড়ুয়াদের সঙ্গে ট্রেনে রওনা হয়।

স্বাস্থ্য দফতরের দলও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর পড়ুয়াদের শারীরিক অবস্থা আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fourteen + twelve =