নয়াদিল্লি : বুধবার সংসদের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু| এ দিন তিনি সংসদের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, সরকার দেশে সামাজিক ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করতে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ| এর পরিধি ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, আজ দেশের প্রায় ৯৫ কোটি নাগরিক বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ও সুবিধা পাচ্ছেন, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের দিকে একটি বড় অর্জন। সংসদে পৌঁছানোর পর রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়।
রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণ এর শুরুতে বলেন, সংসদের এই অধিবেশনে ভাষণ দিতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি এও বলেন, বিগত বছর ভারতের দ্রুত অগ্রগতি এবং ঐতিহ্যের উদযাপন হিসেবে স্মরণীয় ছিল। সমগ্র দেশ ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে এবং এই মহান অনুপ্রেরণার জন্য নাগরিকরা বঙ্কিমচন্দ্র চ্যাটার্জির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে। সংসদে এই বিষয়ে বিশেষ আলোচনার জন্য রাষ্ট্রপতি সাংসদদের অভিনন্দন জানান। দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, দেশ শ্রদ্ধার সাথে শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহীদ দিবস উদযাপন করেছে। বিরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সমগ্র দেশ তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে এবং জনজাতি সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর অবদানকে স্মরণ করছে। তিনি বলেন, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকীর সঙ্গে সম্পর্কিত কর্মসূচিগুলি “এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত” এর চেতনাকে আরও শক্তিশালী করেছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতরত্ন ভূপেন হাজারিকার জন্মবার্ষিকী উদযাপন দেশকে সঙ্গীত এবং ঐক্যের চেতনায় একত্রিত করেছে। যখন দেশ তার মহাপুরুষ এবং পূর্বপুরুষদের অবদানকে স্মরণ করে, তখন নতুন প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হয় এবং বিকশিত ভারতের দিকে যাত্রা গতি পায়। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ২০২৬ সালে ভারত এই শতাব্দীর দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই শতাব্দীর প্রথম ২৫ বছর সাফল্য, গর্ব এবং অভিজ্ঞতায় পূর্ণ। গত ১০-১১ বছরে দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে তার ভিত মজবুত করেছে এবং এই সময়কাল বিকশিত ভারতের লক্ষ্যের দিকে একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

