নয়াদিল্লি : মঙ্গলবারও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনার মূল অভিমুখ ছিল নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, ‘‘অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামীর মতো ব্যক্তিত্বকে এসআইআর নোটিস পাঠাচ্ছে কমিশন। ভাবতে পারেন!’’
মায়ের সঙ্গে নাকি বয়সের ফারাক! জয় গোস্বামীকে ডেকেছে। তিনি মামলাও করেছেন সুপ্রিম কোর্টে। ডাক্তার, শিক্ষকদেরও ডেকেছে।
দিল্লি থেকে বিজেপি এবং কমিশনকে একযোগে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন মমতা। তাঁর চ্যালেঞ্জ, ‘‘সাহস থাকলে রাজনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক ভাবে লড়াই করুন।’’ তাঁর কথায়, ‘‘ভবানীপুরে ৪০ হাজার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিজেপির বিধানসভা কেন্দ্রে কম নাম বাদ যাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূলের বিধানসভা কেন্দ্রে ৮০ হাজার, এক লাখের মতো নাম বাদ দিতে চাইছে কমিশন।’’
আমি কমিশনকে ৬ চিঠি লিখেছি। জবাব পাইনি। সুপ্রিম কোর্টের কথাও মানছে না কমিশন। কোনও পথ খোলা ছিল না। আমি বিচারব্যবস্থাকে সম্মান করি। মামলা বিচারাধীন। কিছু বলতে চাই না। তবুও বলছি, শেষ এসআইআর হয়েছে ২০০২ সালে, পারপর দুই দশক কেটেছে। এবার নির্বাচন। তাই এসআইআর। কোনও পরিকল্পনা নেই। পরিকাঠামো নেই। ৪টি রাজ্যে ভোট। শুধু বিরোধী রাজ্যে এসআইআর। আসামে হচ্ছে না।

