কলকাতা লিগ চলাকালীন মামনি পাঠচক্র ক্লাবের গোলকিপার অর্ণব দাস মাকে হারানোর পর মাঠে নেমেছিলেন। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে জয়ী হয়েছিল পাঠচক্র। এরপরই এরিয়ানের রাজু ওঁরাও, বাবাকে হারিয়ে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচে খেলতে নামেন। গোল করে দলকে জেতান। অর্ণব ও রাজুর মতো নির্দশন মিলল এবার কন্যাশ্রী কাপে। গয়েশপুর স্পোর্টস ফুটবল অ্যাকাডেমির গোলকিপার সুদীপ্তা রায় শনিবার তার বাবাকে হারিয়েছে। এর ২৪ ঘন্টার মধ্যে, রবিবারই কল্যাণীর সগুনা বন্ধুদল মাঠে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ইউথ স্পোর্টস অনুর্দ্ধ-১৭ বালিকা চ্যাম্পিয়নশিপের সুপার সিক্স পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে কালনার এসকেএম স্পোর্টস ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে খেলতে নামে।
কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দলের প্রথম গোলকিপার সুদীপ্তাকে ছাড়াই নামার কথা ভেবেছিলো গয়েশপুর। কিন্তু শনিবার রাতেই সুদীপ্তা ফোন করে জানায়, সে খেলতে চায়। এরপর ভোর চারটেয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে সকাল সাতটার মধ্যে মাঠে পৌঁছে যায়। শক্তিশালী মানসিকতার ছাপ রেখে গেল সুদীপ্তা। এদিনের ম্যাচে গয়েশপুর স্পোর্টস ফুটবল অ্যাকাডেমি ম্যানেজমেন্ট সুদীপ্তার হাতেই দলের অধিনায়কত্ব তুলে দেয়। তবে ম্যাচের ইঞ্জুরি টাইমে এক গোল খেয়ে ম্যাচ হারতে হয় গয়েশপুরকে। এসকেএম স্পোর্টস ফাউন্ডেশন ১-০ গোলে জিতে যায়। জেতা-হারা বাদ দিয়ে সুদীপ্তার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই ম্যাচ।

