টিকাকরণ এবং বন্ধ্যাকরণ শেষে পথকুকুরদের আশ্রয়গৃহ থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে : সুপ্রিম কোর্ট

যেসব কুকুর আক্রমণাত্মক স্বভাবের এবং রেবিসে আক্রান্ত, তাদের ছাড়া হবে না

নতুন দিল্লি : সর্বোচ্চ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ দুই বিচারকের বেঞ্চের আদেশে পরিবর্তন এনে বলেছে যে, দিল্লিতে পথকুকুরদের তখনই আশ্রয়গৃহ (শেল্টার হোম) থেকে ছাড়া হবে যখন তাদের টিকা দেওয়া হবে এবং বন্ধ্যাকরণ করা হবে। বিচারপতি বিক্রম নাথের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলেছে যে, আশ্রয়গৃহ থেকে পথকুকুরদের ছাড়ার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা এই শর্তসাপেক্ষে তুলে নেওয়া হচ্ছে।

সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করেছে, যেসব কুকুর আক্রমণাত্মক স্বভাবের এবং রেবিসে আক্রান্ত, তাদের আশ্রয়গৃহ থেকে ছাড়া হবে না। আদালত বলেছে, রাস্তায় পথকুকুরদের খাবার খাওয়ানো যাবে না। তাদের খাওয়ানোর জন্য স্থান নির্ধারণ করবে নগর নিগম। আদালত আরও জানিয়েছে, এই বিষয়ে বিস্তারিত শুনানি হবে এবং দেশের জন্য একটি জাতীয় নীতি তৈরি করা হবে।

আদালত ১৪ আগস্ট এই মামলার রায় সংরক্ষিত রেখেছিল। তার আগে, ১১ আগস্ট বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চ দিল্লি-এনসিআরের রাস্তাঘাট এবং গলিগুলোকে পথকুকুরমুক্ত করার জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছিল। বিচারপতি পারদিওয়ালার বেঞ্চ দিল্লি সরকার, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল সহ এনসিআর অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল শহর ও গলিগুলিকে পথকুকুরমুক্ত করতে। বিচারপতি পারদিওয়ালার বেঞ্চ বলেছিল, সমস্ত জায়গা থেকে পথকুকুরদের তুলে নেওয়া হোক এবং তাদের কুকুর আশ্রয়গৃহে রাখা হোক। বিচারপতি পারদিওয়ালার এই রায়ের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন পশু অধিকার কর্মীরা। এরপর প্রধান বিচারপতির নির্দেশে ১৪ আগস্ট সর্বোচ্চ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ শুনানি করেছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 − sixteen =