যুবভারতীতে মেসি কাণ্ডের এবার টাকা ফেরত দেওয়ার শুরু করল সিট। টিকিট বিক্রির বরাত পাওয়া সংস্থা ‘ডিস্ট্রিক্ট বাই জোম্যাটো’কে তলব করে যাবতীয় তথ্য নিয়েছিল তদন্তকারী দল। তারপরই শুরু হল টাকা ফেরত দেওয়ার পদ্ধতি। মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তর অ্যাকাউন্ট থেকে ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এছাড়াও টিকিট বিক্রি করে ১৯ কোটি টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে।
কলকাতা, নয়াদিল্লি ও মুম্বই, তিনটে শহরের মোট ইভেন্টের অর্থ শতদ্রুর অ্যাকাউন্টে ছিল। মাত্র ৮ কোটি টাকা ‘জোম্যাটো ডিস্ট্রিক্ট’-এর কাছে বাকি আছে। মেসি কাণ্ডে ১৩ ডিসেম্বর বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল শতদ্রু দত্তকে। এরপরই তিনি পুলিশকে মুচলেকা দিয়ে জানিয়েছেন, টিকিটের সব টাকা ফেরত দেওয়া হবে। ভারত সফরের জন্য সব মিলিয়ে প্রায় খরচ হয়েছিল ১০০ কোটি টাকা। মেসিকে ৮৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়। অন্যদিকে কর বাবদ ১১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল ভারত সরকারকে।
এই ঘটনায় পদত্যাগ করলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অব্যাহতি চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী ক্রীড়ামন্ত্রীর সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণও করেছিলেন। তাই আপাতত রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের দায়িত্ব নিজেই সামলাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ্য, মেসির দর্শনের জনু যুবভারতীতে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছিল। মেসির গোট-কনসার্টে ভাঙচুর হয়ে যায় যুবভারতী স্টেডিয়াম। হাজার হাজার টাকা খরচ করে টিকিট কেটেও প্রিয় তারকা মেসিকে দেখতে না পাওয়ার ক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়েছিল যুবভারতীর গ্যালারি।

