◆ এনসিসি বেবি লিগ চ্যাম্পিয়ন পল্লীশ্রী ক্রিকেট অ্যাকাডেমি
কলকাতা : আইপিএল শুরু হতে এখনও কিছুটা সময় বাকি, কিন্তু তার আগেই বসন্তের কলকাতা সাক্ষী থাকল এক ‘মিনি আইপিএল’-এর আবহে। খুদে ক্রিকেটারদের দাপটে জমে উঠল এনসিসি বেবি লিগ ২০২৬-এর ফাইনাল, যা বাংলার জুনিয়র ক্রিকেটে এক নতুন দৃষ্টান্ত গড়ল।
তবে দিনের আসল চর্চার কেন্দ্রবিন্দু শুধু খেলা নয়, বরং দায়িত্ব ও আবেগের এক বিরল উদাহরণ। বিসিসিআই সভাপতি পারিবারিক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও উপস্থিত থাকলেন এই ফাইনালে। জানা গিয়েছে, তাঁর বাবা গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও অভিষেক ডালমিয়ার আমন্ত্রণ রক্ষা করতে জম্মু থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় পৌঁছে সরাসরি মাঠে আসেন তিনি। এই সিদ্ধান্ত উপস্থিত সকলের কাছেই প্রশংসিত হয়।
বুধবার বিবেকানন্দ ক্লাবে আয়োজিত ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল পাটুলি ক্রিকেট অ্যাকাডেমি ও পল্লীশ্রী ক্রিকেট অ্যাকাডেমি। একপেশে ম্যাচে ৭৪ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পল্লীশ্রী ক্রিকেট অ্যাকাডেমি। এই টুর্নামেন্টের মূল উদ্যোক্তা অভিষেক ডালমিয়ার উদ্যোগে অনূর্ধ্ব-১০ ক্রিকেটারদের জন্য তৈরি এই মঞ্চ ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে ক্রিকেটমহলে। ফাইনালে উপস্থিত থেকে খুদে ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হন বোর্ড সভাপতি মিঠুন মানহাস।
তিনি বলেন, ‘এত অল্প বয়সে ক্রিকেটারদের এই আবেগ ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা সত্যিই বিস্ময়কর।’এদিন মাঠে উপস্থিত ছিলেন ঝুলন গোস্বামী, সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মনোজ তিওয়াড়ি, অনুষ্টুপ মজুমদারসহ সহ প্রাক্তন একাধিক ক্রিকেটার।
মিঠুন মানহাসের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, ‘খুদে ক্রিকেটারদের ছোটবেলা থেকেই মাঠে এনে খেলায় যুক্ত করা দরকার। সেই দিক থেকে এই বেবি লিগ এক অসাধারণ উদ্যোগ।’ মূল উদ্যোক্তা অভিষেক ডালমিয়া বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টের মূল লক্ষ্য ছিল শিশু ক্রিকেটারদের নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ করে দেওয়া। সেই লক্ষ্য যে সফল, তা ফাইনালের খেলাই প্রমাণ করেছে’।

