সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-টোয়েন্টির পর বিজয় হাজারে ট্রফিতেও ব্যর্থ বাংলা। সাদা বলের ফরম্যাটে জাতীয় স্তরের পরপর দু’টি প্রতিযোগিতায় শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারেনি লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। ফলে মরশুমে বাংলার সামনে এখন একমাত্র ভরসার জায়গা রনজি ট্রফি। সেখানে অবশ্য এখনও লড়াইয়ে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। গ্রুপের প্রথম ভাগে পাঁচ ম্যাচ শেষে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে বাংলা। যদিও নকআউটের ছাড়পত্র এখনও নিশ্চিত হয়নি।
২২ জানুয়ারি থেকে কল্যাণীতে ফের রনজি অভিযান শুরু করবে বাংলা। প্রতিপক্ষ গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থাকা সার্ভিসেস। এরপর গ্রুপের শেষ ম্যাচে লাহলিতে হরিয়ানার বিরুদ্ধে নামতে হবে। অর্থাৎ নকআউটে পৌঁছনোর রাস্তা এখনও যথেষ্ট কঠিন। তার উপর বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে দলের এক নম্বর উইকেটকিপার-ব্যাটার অভিষেক পোড়েলের চোট। বিজয় হাজারে ট্রফিতে অসমের বিরুদ্ধে ম্যাচে ক্যাচ ধরতে গিয়ে বাঁ কাঁধে গুরুতর চোট পান তিনি। শেষ দু’টি ম্যাচে খেলতে না পেরে প্রতিযোগিতার মাঝেই বাড়ি ফিরতে হয় তাঁকে।
খবর অনুযায়ী, অভিষেকের বাঁ কাঁধের পেশিতে মারাত্মক চোট লেগেছে। আপাতত বেঙ্গালুরুতে বোর্ডের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে চিকিৎসাধীন তিনি। চিকিৎসকদের মতে, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরতে ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগবে। ফলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়া রনজি ট্রফিতে, এমনকি বাংলা ফাইনালে উঠলেও, অভিষেককে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। নির্ভরযোগ্য কিপার ও কার্যকর ব্যাটারকে না পাওয়া নিঃসন্দেহে টিম ম্যানেজমেন্টের বড় মাথাব্যথা।
অভিষেকের পরিবর্ত হিসাবে শাকির হাবিব গান্ধীর সঙ্গে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সুমিত নাগকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। বিজয় হাজারেতে একটি ম্যাচও খেলেছেন তিনি। সুমিতকে সিকে নাইডু ট্রফির স্কোয়াডে না রাখায় ইঙ্গিত মিলছে, সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে রনজি ম্যাচে তাঁকে দেখা যেতে পারে। বুধবার থেকে সল্টলেকের জেইউ সেকেন্ড ক্যাম্পাসে শুরু হচ্ছে প্রস্তুতি শিবির। আকাশ দীপ, মুকেশ কুমাররা শুরু থেকেই অনুশীলনে থাকবেন, মহম্মদ শামি যোগ দেবেন ম্যাচের আগে। প্রায় কুড়ি জন ক্রিকেটারকে ডাকা হয়েছে শিবিরে, যার মধ্যে রয়েছেন চন্দ্রহাস দাস, রবি কুমারের মতো উঠতি মুখও।

