বঙ্গ পেসার মহম্মদ শামির আগুনে বোলিংয়ে জয় পেল লখনউ সুপারজায়ান্ট। বয়স কেবলই সংখ্যা মাত্র, তা আবারও প্রমাণ করলেব মহম্মদ শামি। জাতীয় দলের নির্বাচকদের কাছে ব্রাত্য তিনি। তবে এই ম্যাচ উইনার আইপিএলের নিলাম টেবিলে চোখ এড়ায়নি সঞ্জীব গোয়েঙ্কার। রবিবার গোয়েঙ্কার দলের তারকা বোলারই ম্যাচ জেতালেন লখনউকে। সুপার সানডের ডাবল হেডারের প্রথম ম্যাচে রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মুখোমুখি হয়েছিল লখনউ সুপারজায়ান্ট। শামির দুর্দান্ত স্পেলে দিশেহারা সানরাইজার্স দল। এখন প্রশ্ন উঠছে, এরপরই কি জাতীয় নির্বাচকদের তালিকায় ব্রাত্যই থাকবেন শামি?
প্রথম ওভারেই আউট করলে। অভিষেক শর্মাকে। আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেডকে আউট করেলন। হায়দ্রাবাদের শক্তিশালী টপ অর্ডার মুষড়ে পড়ল। প্রথম দু’ওভারে দিলেন মাত্র ৩ রান। নিলেন দু’উইকেট। পরের দু’ওভারে দিলেন মাত্র ৬ রান। সব মিলিয়ে নির্ধারিত চার ওভারে ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিলেন। টি -২০ ক্রিকেটে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের যুগে এই ধরণের স্পেলের দেখা পাওয়া জুড়ি মেলা ভার। তবে একা শামিই ভালো বোলিং করলেন। বাকিদের বেশ চালিয়ে খেললেন হায়দ্রাবাদের ব্যাটাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে নয় উইকেট হারিয়ে ১৫৬ করল সানরাইজার্স। হেনরিখ ক্লাসেন (৬২) এবং নীতীশ কুমার রেড্ডি (৫৬) ১১৬ রানের জুটি গড়েন। জবাবে ১৯.৫ ওভারে জয়ের রান তুলে নেয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। এদিন রান পেলেন ঋষভ পন্থ। ৫০ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ২৭ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন এইডেন মার্করাম।

