রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালেই বিদায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বইয়ের। রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দলও মুম্বই। এ বারও অজিঙ্ক রাহানের নেতৃত্বে দুর্দান্ত খেলছিল তারা। সেমিফাইনালে করুণ নায়ারের নেতৃত্বাধীন বিদর্ভর বিরুদ্ধে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ছিল। চতুর্থ ইনিংসে যা কার্যত অসম্ভব। সেটা সম্ভব করার মরিয়া চেষ্টা চালালেও হয়নি। শেষ চারেই ছিটকে যেতে হল। অন্য সেমিফাইনালে মাত্র ২ রানের লিডই পার্থক্য গড়ে দিল। ফাইনালে জায়গা করে নিল কেরল।
প্রথমে আসা যাক, বিদর্ভ বনাম সেমিফাইনাল ম্যাচের দিকে। প্রথম ইনিংসে ৩৮৩ রান করে বিদর্ভ। কিপার ব্যাটার আকাশ আনন্দ সেঞ্চুরি করলেও প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ব্যর্থ সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে এবং ক্য়াপ্টেন অজিঙ্ক রাহানেও। মাত্র ২৭০ রানেই অলআউট হয় মুম্বই। দ্বিতীয় ইনিংসে যশ রাঠোরের সেঞ্চুরিতে ২৯২ করে বিদর্ভ। ফাইনালে যেতে মুম্বইয়ের টার্গেট ছিল ৪০৬। চতুর্থ ইনিংসে কঠিন পরিস্থিতিতেও লড়াই করে মুম্বইয়ের লোয়ার অর্ডার। কিন্তু ৩২৫ রানেই অলআউট।
কেরল বনাম গুজরাট সেমিফাইনাল ম্যাচ অমীংসিতই থাকে। তরুণ কিপার ব্যাটার মহম্মদ আজহারউদ্দিনের ১৭৭ রানের বিশাল ইনিংস, ক্যাপ্টেন সচিন বেবি ও সলমন নিজারের হাফসেঞ্চুরি। প্রথম ইনিংসে ৪৫৭ রান করে কেরল। গুজরাট ওপেনার প্রিয়াঙ্ক পাঞ্চাল ১৪৮ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। টপ, মিডল অর্ডারের পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারও অবদান রাখে। কিন্তু ৪৫৫ রানেই তাদের ইনিংস শেষ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ২ রানের লিড নিয়েছিল কেরল। সেটাই ম্যাচের নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়াল।
গুজরাট দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১১৪ রানের পরই হাত মিলিয়ে নেন ক্যাপ্টেনরা। পাঁচ দিনেও ম্যাচের রেজাল্ট হয়নি। প্রথম ইনিংস লিডের নিরিখে ফাইনালে কেরল। প্রতিপক্ষ বিদর্ভ।